সুষ্ঠ শ্রেণিব্যবস্থাপনা সফল শিখন অর্জনের অন্যতম মাধ্যম

esratইসরাত জাহান :  আমাদের দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকগণ প্রতিনিয়ত নানা রকম চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে থাকেন। এর মধ্যে অন্যতম একটি চ্যালেঞ্জ হল সুষ্ঠ শ্রেণিব্যবস্থাপনা। শ্রেণিতে শিখন-শেখানো কার্যক্রমের সফল বাস্তবায়নে শ্রেণিব্যবস্থাপনার গুরুত্ত্ব অনস্বীকার্য।সাধারণত ‘‘ শ্রেণিকক্ষের সুষ্ঠ পরিবেশ সৃষ্টির মাধ্যমে শিখন-শেখানো কার্যক্রমকে সফলভাবে পরিচালনার করার জন্য এবং শিক্ষার্থীর নিকট শিখনকে আকর্ষণীয়, আনন্দদায়ক ও স্থায়ী করার জন্য শিক্ষক যে সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করেন তাকেই শ্রেণিব্যবস্থাপনা বলে” । একজন শিক্ষক বিষয়জ্ঞান সম্পন্ন ও একাডেমিকভাবে যতই যোগ্যতাসম্পন্ন হোক না কেন, ব্যবস্থাপনা কৌশল সম্পর্কে সম্যক অবগত না থাকলে তার জন্য একটি সন্তোষজনক শ্রেণিপাঠ পরিচালনা করা অসম্ভব।সুষ্ঠ শ্রেণিব্যবস্থাপনায় অপারদর্শী হলে কাঙ্খিত শিখন অর্জন সম্ভব নয়।তবে, সুস্পস্ট পরিকল্পনা, ধৈর্য্য ও সহনশীলতা এবং যৌক্তিক কৌশল অবলম্বন এ পথকে সুগম করে দিতে পারে।
esrattআমাদের মত একটি স্বল্প আয়ের সংখ্যাবহূল জনগোষ্ঠীর রাস্ট্রে প্রায় প্রতিটি শ্রেণিকক্ষেই অধিক সংখ্যক শিক্ষার্থীর উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। কতৃর্ক বাংলাদেশ এ্যানুয়ালপারফরমেন্স স্কুল সেনসাস রিপোর্ট, ২০১৬ অনুযায়ী বর্তমানে বাংলাদেশের সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়সমূহে শিক্ষক শিক্ষার্থী অনুপাত ১: ৩৮ । এছাড়াও রয়েছে অবকাঠামোগত সমস্যা (যেমন- স্বল্প পরিসর, শ্রেণিকক্ষের আসন বিন্যাস, পর্যাপ্ত আলো বাতাস ইত্যাদি), শ্রেণিপাঠে শিক্ষার্থীদের অমনোযোগীতা, অনিয়মিত উপস্থিতি, স্বল্প মেধাসম্পন্ন, অতি মেধাসম্পন্ন শিক্ষার্থী, আচরণগত সমস্যা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী বা শিক্ষার্থী-শিক্ষার্থীদের মধ্যে সম্পর্ক, বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিক্ষার্থী, নিরাপত্তাহীনতা, নিয়মভঙ্গের প্রবণতা, স্বল্প সময়ে অধিক সংখ্যক শিক্ষার্থীর পড়া নিশ্চিত ও মূল্যায়নকরা ইত্যাদি। এসকল বাস্তব অবস্থা বিবেচনায় এনে সকল শিশুর চাহিদা পূরণ করে স্বাভাবিক ভাবে শ্রেণিকার্যক্রম পরিচালনা করা নি:সন্দেহে শিক্ষকের জন্য একটি বড় চ্যলেঞ্জ। তবুও আমাদের শিক্ষকগণ থেমে নেই, প্রতিনিয়ত নানা রকম প্রতিকূলতার মাঝে নিজেকে মানিয়ে নিয়ে এই মহতী দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তাদের প্রচেষ্টাকে আরো পরিশীলিতভাবে পালনের সুযোগ করে দেয়ার জন্য  সুষ্ঠ শ্রেণি ব্যবস্থাপনার কতিপয় কার্যকর কৌশল তুলে ধরা হল। আশা করি, এই কৌশলসমূহ তাদের ভাবনার দ্বারকে উম্মোচিত করবে এবং যথাসময়ে যথাযথ কৌশল অবলম্বনে সহায়ক হবে।

শ্রেণিব্যবস্থাপনার কতিপয় কার্যকর কৌশল ও প্রয়োগ:
১। আপনি তখনই কথা বলুন যখন শিক্ষার্থীরা শান্ত এবং আপনার কথা শুনতে প্রস্তুত ।
 শিক্ষার্থীদের শান্ত হতে এবং মনোযোগী হতে আহ্বান করুন।
 তারা সম্পূর্ণরুপে আপনার প্রতি মনোযোগী না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন।
 ক্লাস শেষে তাদেরকে আপনি মজার কিছু শোনাবেন বা করবেন বা করতে দিবেন এমন কিছু বলুন তারপর ক্লাস শুরু করুন( ভালো হয় যদি তা পাঠ সংশ্লিষ্ট হয়)।
 প্রয়োজনে ক্লাস চলাকালীন ৩০ সেকেন্ড/১মিনিট বিরতি দিন।
২। সবসময় একটি সুপরিকল্পিত এবং শিক্ষার্থীর সক্রিয় ভুমিকাসম্পন্ন পাঠের আয়োজন করুন।
 এমনভাবে পাঠের পরিকল্পনা করুন যেন শিক্ষার্থীদের সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করার সুযোগ থাকে।
 অগ্রগামী শিক্ষার্থীদের যেমন ব্যস্ত রাখা যায়, পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদেরকেও তেমনি।
 পারগদেরকে উৎসাহিত করার সাথে সাথে অপারগদের মনেও আস্থা তৈরি করুন, যে তারাও পারবে এবং তাদের সে যোগ্যতা রয়েছে।
 রিডিং পড়তে দেয়ার সময়ও কিছু অনুসন্ধানমূলক প্রশ্ন রাখুন যেন তারা মনযোগ দিয়ে পড়ে।
 শ্রেণিপাঠে আকর্ষণীয় এমন কিছু বিষয় সংযোজন করুন যাতে শিক্ষার্থীরা আপনার ক্লাস মিস করার জন্য দু:খিত হয়।
 শিক্ষার্থীদের মধ্যে নেতৃত্ব গড়ে তুলোন। সফলভাবে নেতৃত্ব দানের জন্য তাদের কাজের প্রশংসা করুন।
 সমগ্র ক্লাসকে মেধার মিশ্রণ ঘটিয়ে অথবা অগ্রগামী ও পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের নিয়ে আলাদা আলাদা গ্রুপ তৈরি করে নিতে পারেন। গ্রুপের প্রত্যেক শিক্ষার্থীর মধ্যে সুসম্পর্ক, আন্তরিকতা ও সহযোগীতামূলক আচরণ নিশ্চিত করুন।
 দলীয় কাজ দেয়ার আগে সুস্পস্ট দায়িত্ব ও উপকরণ বন্টন করুন এবং সময় বেঁধে দিন।
 বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন কোন শিক্ষার্থী থাকলে তাকে একটু বেশী সময় দিন, তাকে সবসময় একটি সুবিধাজনক ও নিরাপদ অবস্থানে বসতে দিন।

৩। আচরণগত কোন সমস্যা দ্রুতএবং বিচক্ষণতার সহিত নিস্পত্তি করুন।
আচরণগত কোন সমস্যা শিক্ষক-শিক্ষার্থী অথবা শিক্ষার্থীদের নিজেদের মধ্যেও হতে পারে যা মনবেদনার কারন হতে পারে।
 সমাধান করুন ক্লাসরুমের বাহিরে , অন্যান্য শিক্ষার্থীদের আড়ালে। খেয়াল রাখুন শ্রেণিকার্যক্রমের যেন কোন ব্যঘাত না ঘটে।
 প্রশ্ন করুন “আমি তোমাকে কিভাবে সহযোগীতা করতে পারি?”। শিশুটিকে দোষী সাব্যস্ত করবেন না। এমন ভাব করুন যেন, আপনি তাকে কেয়ার করছেন বা গুরুত্ত্ব দিচ্ছেন। শিশুটির প্রতি ইতিবাচক মনোভাব পোষন করুন। কেননা শিশুটি এ মুহুর্তে মানসিক চাপে থাকবে এবং সে ভাববে আপনি তার সাথে রেগে কথা বলবেন কিংবা শাস্তি দিবেন।
 দু’জন কিংবা কয়েকজন শিক্ষার্থী বিবাদে জড়িয়ে পড়লে, তাদেরকে টিফিন পিরিয়ড, বিদ্যালয় শুরুর আগে বা পরে আপনার সাথে সাক্ষাতের সুযোগ করে দিন। তাদের সাথে মেন্টর এর মত আচরণ করুন এবং নিরপেক্ষ ভাষা ব্যবহার করুন। শান্তিপূর্ণভাবে সমাধান দিন যেন তারা যৌক্তিকভাবে আপনার সমাধান মেনে নেয়। আপনি অইঈউ(অ-অংশ, ই-ইৎধরহ ংঃড়ৎসরহম, ঈ-ঈৎরঃরপধষ ঃযরহশরহম ধহফ উ-উবপরংরড়হ) গবঃযড়ফ প্রয়োগ করতে পারেন। অর্থাৎ ঘটনাটি সম্পর্কে তাদের উভয়কে জিজ্ঞেস করুন, তাদের বক্তব্য শুনুন; ঘটনাটির ভালদিক, মন্দদিক সম্পর্কে তাদের ভাবতে বলুন, সুষ্ঠু সমাধানের বিষয়ে তাদেরকেই গভীরভাবে ভাবতে বলুন এবং তাদের কাছ থেকে সমাধানের পদ্ধতি জেনে নিন; অবশেষে সকলে মিলে সিদ্ধান্ত নিন।
 আপনার দেয়া কোন কাজে শিশুকে অমনোযোগী দেখতে পেলে, তাকে সরাসরি দোষী সাব্যস্ত করবেন না, এমন বলবেনা যে “ তুমি কেন কাজ করছনা?” বরং ইতিবাচক ভঙ্গিতে বলুন “ তুমি কি আমাকে কিছু বলবে বা বলতে চাচ্ছ?, কিংবা তুমি কি বিশেষ কিছু নিয়ে ভাবছ? আমি কি তোমাকে কোন ভাবে সাহায্য করতে পারি? ইত্যাদি।”
 অপ্রত্যাশিত আচরণের জন্য পুরো ক্লাসকে শাস্তি দেয়া থেকে বিরত থাকুন। কারন কেউ না কেউ আপনার কথা শুনছে আপনার নির্দেশ পালন করছে।
৪। আপনার কন্ঠস্বর সবসময় স্বাভাবিক এবং নিরপেক্ষ রাখুন।
 শিক্ষার্থীদের সহিত রূরস্বরে কথা বলা পরিহার করুন।
 তাদের সহিত নিরপেক্ষ আচরণ করুন। কাউকে অধিক গুরুত্ব দেয়া, কাউকে হিউমিলেট করা থেকে বিরত থাকুন।
 তাদের সাথে ভাষা ব্যবহারে সতর্ক থাকুন, এমন কোন ভাষা ব্যবহার করবেন না যা তাদের আত্মসন্মানে লাগে, আপনার ব্যবহৃত ভাষা থেকে শিক্ষার্থী শিক্ষা গ্রহণ করছে, সে প্রতিনিয়ত আপনাকে অনুসরণ করছে।
৫। সাংকেতিক/অমৌখিক চিহ্ন, শব্দ ব্যবহার করুন।
মাঝে মাঝে সাংকেতিক ভাষা ব্যবহার করুন এতে যোগাযোগের ক্ষেত্রে কিছু ভিন্নমাত্রা যোগ হবে।যেমন: হাত তালি, চোখের ইসারা, হাত তোলা, শব্দ করা, হাসি/কান্না, হিসসসসস শব্দ করা, মাথায় হাত বোলানো, হাতের ইসারায় কাছে আসতে-চলে যেতে বলা, উঠতে-বসতে বলা ইত্যাদি।
৬। শিক্ষার্থীদের সাথে ইতিবাচক সম্পর্ক গড়ে তুলুন।
 শিক্ষার্থীদের সাথে আন্তরিক সম্পর্ক গড়ে তুলোন।
 তাদের সাথে এমন ব্যবহার করুন যেন তারা ভাবে-আপনি তাদেরকে ভালোবাসেন, তাদের কথা ভাবেন, তাদের মঙ্গল কামনা করেন।
 তাদের সহিত আস্থা ও বিশ্বাসের সম্পর্ক গড়ে তুলোন।
 প্রতিটি শিক্ষার্থীকে এককভাবে চিনতে ও বুঝতে চেষ্টা করুন। তাদের নামগুলো মনে রাখুুন, খেয়াল রাখুুননামের উচ্চারণ যেন সবসময় সঠিক হয়।
৭। উৎসাহিত করা এবং প্রশংসা করা শিক্ষার্থীদের নিয়ন্ত্রণ করার একটি শক্তিশালী মাধ্যম।
 সুস্পস্টভাবে সুনির্দিষ্ট কাজের জন্য প্রশংসা করুন।
 মৌখিক/লিখিত/সাংকেতিক চিহ্নের মাধ্যমে প্রশংসা করুন।
 উদাহরণসরূপ: তুমি সঠিক উচ্চারণে রিডিং পড়েছ, অনেক বুদ্ধি খাটিয়ে অংকটি করেছ, লিখতে দিয়ে উৎসাহিত করতে প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে বলুন, শাহী বলার জন্য প্রস্তুত, মাহী লিখার জন্য ইতিমধ্যে তার খাতা খুলে ফেলেছে। মাহী ও তার সারির সকলেই লেখার জন্য প্রস্তুত। রুবা…এই পর্যন্ত/…নং পর্যন্ত লিখে ফেলেছে। শুভ সবার আগে শেষ করে ফেলেছে। ইত্যাদি। এতে করে একটি প্রতিযোগীতামূলক আবহ তৈরি হবে এবং শিক্ষার্থীরা শিখতে, পড়তে ও লিখতে আগ্রহ বোধ করবে/উৎসাহ পাবে।
 কোন দায়িত্ব নিয়ে সফল হলে সাহসিকতার প্রসংসা করুন।
 প্রতিদিনের ক্লাস শেষে আজকের ক্লাসের সেরা শিক্ষার্থীর নাম ঘোষণা করুন এবং তাকে সেরা বলার কারন জানান দিন।
৮। ক্লাসরুম নিয়ম-কানুন প্রতিষ্ঠিত করা এবং নিয়ম ভঙ্গের ফলাফল সম্পর্কে অবহিত করণ।
 বছরেরে শুরুতেই ক্লাসের নিয়ম-কানুন সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের অবহিত করুন এবং যত তাড়াতাড়ি সম্ভব নিয়ম-কানুনগুলো শিক্ষার্থীদের রপ্ত করে তুলোন (যেমন: শ্রেণি শৃঙ্খলা বজায় রাখা, প্রশ্ন করলে হাত তুলে উত্তর দেয়ার অনুমুতি চাওয়া, সঠিক সময়ে ক্লাসে আসা এবং অনুমুতি ছাড়া ক্লাসের বাইরে না যাওয়া, অকারনে কথা না বলা, না বলে অন্যের কাছ থেকে বই, কলম, খাতা না নেয়া, ইত্যাদি।
 নিয়মের ব্যত্যয় ঘটলে তার ফলাফল কি হতে পারে তা জানিয়ে রাখুন।
 বারবার নিয়ম ভঙ্গ করলে এরিয়ে না গিয়ে, ইতিবাচকভাবে তাকে সংশোধনের চেষ্টা করুন। অন্যথায় সে একই কাজ বার বার করবে এবং নিয়ম ভঙ্গের কোন পরিণতি নেই মনে করবে।
 কৃতিত্বপূর্ণ আচরণ ও কাজের জন্য উপহার এবং অপ্রত্যাশিত আচরণ ও কাজের জন্য তিরস্কার/শাস্তি রয়েছে তা জানান দিন। (উদাহরণ: ধরে নিন আপনি শিক্ষার্থীদেরকে শ্রেণিকক্ষের দেয়ালের নির্দিষ্ট একটি স্থানে রং করা কিংবা আকিঁবুকি করতে নিষেধ করেছিলেন। কিন্তু কেউ একজন তা করে ফেলল। আপনি তাকে দিয়েই তা রিমোভ করানোর ব্যবস্থা নিবেন, তবে ধমক দেয়া, চোখ রাঙানো কিংবা কটু কথা বলা থেকে নিজেকে সংযত রাখুন।
 শিক্ষার্থীদের নিয়ম-কানুনগুলো মানার সুফল সম্পর্কে জানতে দিন।
 তাদেরকে স্বরণ করিয়ে দিন এই শ্রেণিকক্ষ তার/তাদের, তাই কক্ষটি গুছিয়ে/পরিচ্ছন্ন রাখার দায়িত্ব তাদের।
৯। একটি নিরাপদ শিখন পরিবেশ বজায় রাখুন।
 শারীরিক/ মানসিক শাস্তি বিহীন পরিবেশ নিশ্চিত করুন।
 আন্দদায়ক পরিবেশ বজায় রাখুন।
 শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিবাদ-বিহীন আন্তরিক পরিবেশ অব্যাহত রাখুন।
 শিখনমূলক পরিবেশ সৃষ্টি করুন।
 পারস্পরিক সহযোগীতা মূলক পরিবেশ এর আবহ তৈরি করুন। মানসিকভাবে শিক্ষার্থীরা যেন একে অপরের সহযোগীতা করতে সদা প্রস্তুত থাকে।
 শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে সচেষ্ট থাকুন।
১০। শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নিজের কাজের ফলাবর্তন নিন।
 গতকালের হোম ওয়ার্ক কেমন ছিলো জানতে চান।
 আজকের ক্লাসটি করতে ওদের কেমন লাগল। যদি ভাল লেগে থাকে তবে কেন ভাল লেগেছে, কোন কোন কাজ/বিষয়গুলো ভাল লেগেছে তা জানুন। আর কি করলে ভাল হতো, কি সংযোজন/বিয়োজন করলে ভালো হতো জানুন।
 শিক্ষকের আচরণ কিংবা পাঠের কোন বিষয়টি ওদের ভালো লাগেনি।
 তোমাদেরকে আরও ভালোভাবে পড়াতে আমার আর কী কী করা উচিত। ইত্যাদি প্রশ্ন করা যেতে পারে।

লেখক: ইসরাত জাহান, সহকারী ইন্সট্রাক্টর, থানা রিসোর্স সেন্টার, ধানমন্ডি, ঢাকা।

Related posts

Leave a Comment