অনিয়মের অভিযোগ এনে ভোট বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন বরিশাল সিটি করপোশন নির্বাচনে বিএনপি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির প্রার্থী। সোমবার দুপুরে তারা রিটার্নিং কর্তকর্তা মো. মুজিবুর রহমানের কার্যালয়ে গিয়ে ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন।
এর আগে বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মো. মজিবুর রহমান সরোয়ার, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী ওবায়দুর রহমান মাহবুব ও বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির আবুল কালাম আজাদ রিটার্নিং কর্তকর্তার কার্যালয়ে যান। জাল ভোট, জোর করে সিল মারা, এজেন্টদের বের করে দেওয়াসহ বিভিন্ন অভিযোগ এনে তারা নির্বাচন স্থগিতের জন্য লিখিত আবেদন করেন। রিটার্নিং কর্তকর্তা নির্বাচন স্থগিত করতে অপারগতা প্রকাশ করলে তারা নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেন। এ সময় রিটার্নিং কর্তকর্তার কার্যালয়ের বাইরে তাদের সমর্থকরা বিক্ষোভ করেন।
এদিকে সোমবার দুপুর ১২টার দিকে বরিশাল প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মো. মজিবুর রহমান সরোয়ার নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেন। সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির মজিবর রহমান সরওয়ার অভিযোগ করেন বিভিন্ন কেন্দ্রে তার পোলিং এজেন্টদের ঢুকতে দেওয়া হয়নি। এ ছাড়া অনেক কেন্দ্রে নৌকা মার্কায় সিল মারা হয়েছে।
এদিকে বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের প্রার্থী মণীষা চক্রবর্তী ও জাতীয় পার্টির (জাপা) প্রার্থীর মো. ইকবাল হোসেন ও স্বতন্ত্র প্রার্থী বশীর আহমেদ ঝুনু পূনঃনির্বাচনের দাবি করেছেন।
বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে সাতজন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এরা হলেন-আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সেরনিয়াবাত সাদেক আবদুল্লাহ (নৌকা), বিএনপির মো. মজিবুর রহমান সরোয়ার (ধানের শীষ), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ওবায়দুর রহমান মাহবুব (হাতপাখা), বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির আবুল কালাম আজাদ (কাস্তে), বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের মণীষা চক্রবর্তী (মই), জাতীয় পার্টি-জাপা প্রার্থী মো. ইকবাল হোসেন (লাঙ্গল) ও স্বতন্ত্র প্রার্থী বশীর আহমেদ ঝুনু (হরিণ)।
