বাঁচানো গেল না মুক্তামনিকে

mutha moniরক্তনালীতে টিউমার আক্রান্ত সাতক্ষীরার বহুল আলোচিত মুক্তামনি অবশেষে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে হেরে গেছে। আজ বুধবার সকাল সোয়া ৮ টার দিকে মুক্তামনি তার নিজ বাড়ি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার কামারবায়সা গ্রামে মারা যায়।মুক্তামনির বাবা ইব্রাহিম হোসেন অনলাইনকে তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জানা যায়, কামারবায়সা গ্রামের মুদি দোকানি ইব্রাহিম হোসেনের মেয়ে ১৩ বছরের মুক্তামনির দেহের দেড় বছর বয়সে একটি মার্বেলের  মতো গোটা দেখা যায়। সেটি পরে বড় আকার ধারণ করে। কয়েক বছর আগে থেকে তার আক্রান্ত ডান হাতটি একটি  গাছের ডালের আকার ধারণ করে পচে উঠতে থাকে।

বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে মুক্তামনির রোগের কথা প্রচারিত হলে সরকারি উদ্যোগে তাকে  ২০১৭ সালের ১১ জুলাই ঢাকা মেডিকেল কলেজের বার্ন ইউনিটে নেওয়া হয়। সেখানে প্রধানমন্ত্রীর তত্ত্বাবধানে তার চিকিৎসা চলছিল।

টানা ছয় মাসের চিকিৎসায় খানিকটা  উন্নতি হওয়ায় ২০১৭ সালের ২২ ডিসেম্বর মুক্তামনিকে এক মাসের ছুটিতে বাড়ি পাঠানো হয়। বাড়িতে আসার পর থেকে তার অবস্থা ক্রমেই অবনতির দিকে যেতে থাকে। তার দেহে নতুন করে পচন ধরে। পোকা জন্মায়। এমনকি  রক্তও ঝরে। তার ওষুধপত্র বন্ধ হয়ে যায়। দিনে একবার করে তার ড্রেসিং করা হতো।

মুক্তামনির বাবা ইব্রাহিম হোসেন জানান, আজ বুধবার সকাল সোয়া ৮টার দিকে মুক্তা মারা যায়।মৃত্যুর আধা ঘণ্টা আগেও পানি চেয়েছিল মুক্তামনি। তারপর ঘুমিয়ে পড়েছিল। এটাই শেষ ঘুম।

Related posts

Leave a Comment