শেষ ধাপে ৭১০টি ইউপিতে ভোট গ্রহণ শুরু

????????????????????????????????????

চলমান ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ষষ্ঠ ও শেষ ধাপে ৬৯৮ ইউপিতে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। শনিবার সকাল ৮ টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। আর এর মধ্য দিয়েই সম্পন্ন হবে ইউপি নির্বাচন। অবশ্য স্থগিত হওয়া কয়েকটি ইউপিতে ভোটগ্রহণ পরে অনুষ্ঠিত হবে।

শেষ ধাপে আওয়ামী লীগের ২৮ চেয়ারম্যান প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছে।

ইউপি নির্বাচনে এখন পর্যন্ত ১১০ জনের বেশি মারা গেছে এবং আট হাজারের বেশি লোক আহত হয়েছে। নিহতদের অধিকাংশই আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী। পর্যবেক্ষকরা বলছেন, চলমান ইউপি নির্বাচন বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে সহিংস নির্বাচন ছিল। তাই শনিবারের নির্বাচন নিয়েও শঙ্কা রয়েছে।

নবম ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের প্রথম পাঁচ ধাপে ঘোষিত ৩,২৯০টি চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা জয় পেয়েছেন ২,১৯৫টিতে। দলটি এককভাবে ৬৭ শতাংশ ইউপিতে জয় পেয়েছে।

অন্যদিকে আওয়ামী লীগের প্রধান রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি জয় পেয়েছে ৩১৫টিতে। অর্থাৎ বিএনপি ১০ শতাংশেরও কম ইউপিতে জয় পেয়েছে।

এবারের নির্বাচনের পাঁচ ধাপে ৬৯৭টি ইউনিয়ন পরিষদে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন। যদিও তাদের বেশির ভাগ আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে পরিচিত।

শেষ ধাপের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাও মাঠে নেমেছেন। নির্বাচনী অপরাধের শাস্তি প্রদানে নিয়োগ করা হয়েছে নির্বাহী ও বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট। এছাড়াও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্য মিলিয়ে প্রায় দুই লাখ ফোর্স মোতায়েন রয়েছে।

ইসির জনসংযোগ কর্মকর্তা এস এম আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, শেষ ধাপের নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্রসহ বিভিন্ন দলের ৩ হাজারের মত প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এছাড়াও সাধারণ ও সংরক্ষিত সদস্য মিলে প্রায় ৩০ হাজারের মতো প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। আর এ ধাপে প্রায় ১ কোটির মতো ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।

এর আগে প্রথম ধাপে ৭১২, দ্বিতীয় ধাপে ৬৩৯, তৃতীয় ধাপে ৬১৫, চতুর্থ ধাপে ৭০৩ ও পঞ্চম ধাপে ৭১৭ ইউপিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনিয়ম এবং সহিংসতার কারণে কিছু ইউপির নির্বাচন আংশিক বা সম্পূর্ণ বাতিল বা স্থগিত করা হয়েছে।

 

Related posts

Leave a Comment