যুক্তরাষ্ট্রে বৈধ বাংলাদেশিদের আতঙ্কের কারণ নেই : এ্যাটর্নি মুঈন চৌধুরি

113994_4ডেস্ক রিপোর্ট :  যুক্তরাষ্ট্র সুপ্রিমকোর্টের এ্যাটর্নি মুঈন চৌধুরি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রে মুসলিম অভিবাসীদের প্রবেশ নিষেধাজ্ঞা নিয়ে বাংলাদেশিদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে যারা অবৈধ অভিবাসী তাদের মধ্যেই এই আতঙ্ক সবচেয়ে বেশি। তবে যারা বৈধভাবে আমেরিকায় বসবাস করছে তাদের আতঙ্কের কোন কারণ নেই। সাত দেশের মুসলিম নিষেধাজ্ঞা বিষয়ক ড্রোনাল্ড ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশে বাংলাদেশি অভিবাসীদের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে বিবিসি বাংলার এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। মুসলিম অভিবাসী নিষেধাজ্ঞায় যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী বাংলাদেশিদের মধ্যে প্রতিক্রিয়া কেমন? ভবিষ্যতে তারাও কী সমস্যা পড়তে পরে বলে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে?

প্রশ্নের জাবাবে এ্যাটর্নি মুঈন চৌধুরি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে বৈধ-অবৈধ হাজার হাজার অভিবাসী  রয়েছে। ট্রাম্পের এই নির্বাহী আদেশের ফলে তাদের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে যারা অবৈধ অভিবাসী আছে তাদের আতঙ্ক সবচেয়ে বেশি। বৈধদের মধ্যে এই আতঙ্ক তুলনামূলক কম। যারা আমেরিকার বৈধ ও স্থায়ী নাগরিক তাদের কোন সমস্যা নেই, যারা গ্রিন কার্ড নিয়ে স্থায়ীভাবে বসবাস করছে তাদেরও কোন ধরণের সমস্যা নেই। কিন্তু যারা শরণার্থী হিসেবে অথবা ভ্রমণের জন্য আমেরিকায় এসেছে তাদের মধ্যে এই আতঙ্ক সবচেয়ে বেশি কাজ করছে।

এই পরিস্থিতিতে আমেরিকায় অবস্থানরত বাংলাদেশিদেরকে কীভাবে নির্দেশনা দিচ্ছেন?

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মিডিয়ার মাধ্যমে প্রচার করার চেষ্টা করছি যে, যারা আমেরিকায় বৈধভাবে আছে তাদের কোন ধরণের আতঙ্কের কারণ নেই।

ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে নিউইয়র্কের মেয়র বিরোধী প্রতিক্রিয়া ব্যাক্ত করেছে। এছাড়া অভিবাসীদের পক্ষে কী কোন বড় ধরণের অবস্থান তৈরি হয়েছে?

তিনি বলেন, এই আদেশের বিপক্ষে একটি সামাজিক আন্দোলন তৈরি হয়েছে। মেয়রসহ আমরা সবাই আইনের মাধ্যমে বিষয়টি মোকাবেলা করবো। যেসব নির্বাহী আদেশ সংবিধানের বিরুদ্ধে যায় সেগুলোর বিরুদ্ধে মামলা করা যায়।

অভিবাসীদের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের মূল ধারার রাজনৈতিকদলগুলোর অবস্থান কী?

তিনি বলেন, অভিবাসীদের বিষয়ে ডেমোক্র্যাটদের অবস্থান খুবই শক্ত। আমরা কঠিন কোন আইন চাই না। আমরা সবাই চাচ্ছি এই পরিস্থিতিকে আইনীভাবে মোকাবিলা করার জন্য। পাশাপাশি সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে। বিবিসি বাংলা

 

 

 

 

 

মিতু/বিবি নিউজ/১৩৯৯

Related posts

Leave a Comment