
ষ্টাফ রিপোর্টার,২১ সেপ্টেম্বর ,২০২০(বিবিনিউজ):সাভারে করোনা মহামারী এবং ভয়াবহ বন্যার মারাত্মক ক্ষতি কাটিয়ে ফের ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছে গ্রামীণ অর্থনীতি। ক্ষুদ্র বিনিয়োগ নিয়ে অনেকেই ঝাঁপিয়ে পড়েছেন অর্থনৈতিক কর্মকােন্ডে। সাভারে হাঁস পালন নিয়ে কেবল স্বাবলম্বীই নয়,গ্রামীণ অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবনের পাশাপাশি কর্মসংস্থানের অপার সম্ভাবনা তৈরি করেছেন উদ্যোক্তাদের অনেকে। তেমনি একটি হাঁসের খামার আশুলিয়ার পাথালিয়া ইউনিয়নের সিন্ধুরিয়া গ্রামে।
বন্যার পানি নেমেছে। খোলা জলাশয়ে হাঁসের এই খামার ঘিরে এখন সম্ভাবনার ছড়াচ্ছে সিন্দুরিয়া গ্রামে।
মাত্র ৫শ হাঁস দিয়ে সূচনা হলেও বছরের ব্যবধানে হাঁসের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯ হাজার। সেই সফলতার কথাই বলেছিলেন এই উদ্যোক্তা।
সঠিক পরিকল্পনা, নিবিড় পরিচর্যা আর একাগ্রতা যে সফলতার মূলমন্ত্র তার প্রমান এই এলাকায় গড়ে ওঠা এমন অসংখ্য খামার। যে কারণে গ্রামীণ জনপদে কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি তৈরি হচ্ছে নতুন নতুন উদ্যোক্তা। এই খামারে এখন কয়েক হাঁজার হাস ডিম দিচ্ছে। প্রতিটি ডিমের হালি ৪০ থেকে পঞ্চাশ টাকা দরে বাজারে বিক্রি হচ্ছে। সেই সাথে এই খামারে বেশ কয়েকজন বেকার যুবকরে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে।
চাকরির পিছনে ছুটে অযথা সময় নষ্ট না করে কিংবা বিদেশমুখিতা পরিহার করে গ্রামেই বিনিয়োগ সম্ভাবনার কথা বলছেন সফল উদ্যোক্তাদের অনেকে।
সময়মতো হাঁসের টিকা ও খাবার দিতে পারলে হাঁসের খামার অত্যন্ত লাভজনক। আর এমন ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়েই ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টায় প্রান্তিক অর্থনীতি।
