
মহাজাগতিক এই সূর্যগ্রহণের বিরল দৃশ্য দেখবার জন্য এখন মুখিয়ে রয়েছে ভারত। কিন্তু এই গ্রহনের জ্যোতিষ বিদ্যায় কি ফলাফল উঠে আসে ভালো কি মন্দ তা সময় বলবে। তবে এই গ্রহণ ভূগোলের ইতিহাসে এক নতুন ঘটনা যোগ করল তা বলাই বাহুল্য। বছরের দীর্ঘতম দিন যাকে ভূগোল বিজ্ঞানের পরিভাষায় বলা হয় সামার সলস্টিস, সেই ২১ জুন দেখা যাবে এই আশ্চর্য প্রাকৃতিক দৃশ্য।
যে স্থান থেকে প্রথম আংশিক গ্রাস লক্ষ করা যাবে সেখানে গ্রহণ শুরু হবে সকাল ৯টা ১৫মিনিটে। এই এলাকার মানুষ গ্রহণের সর্বোচ্চ দশা দেখতে পারবেন দুপুর ১২টা ১০মিনিটে। সূর্যগ্রহণ নিয়ে অনেক পৌরাণিক তথ্য রয়েছে কখনো কখনো এর রোম ভারত এবং দক্ষিণ কোরিয়ায় । তবে ভারতের সূর্য গ্রহণের ক্ষেত্রে অনেকের মধ্যে এখনো কুসংস্কার এর বাতাবরণ রয়েছে।
যে এলাকা থেকে প্রথম পূর্ণগ্রাস দেখা যাবে সেখানে গ্রহণ লাগবে সকাল ১০টা ১৭মিনিটে। শেষতম যে স্থান থেকে পূর্ণগ্রাস গ্রহণ দেখা যাবে সেখানে এই ঘটনার পরিসমাপ্তি ঘটবে দুপুর ২টা ২মিনিটে। আংশিক গ্রহণ শেষতম যে এলাকা থেকে দেখা যাবে সেখানে গ্রহণ কাটবে দুপুর ৩টা চার মিনিটে। এই কুসংস্কারের দৃশ্য দেখবার জন্য দূরবীন টেলিস্কোপ বা অন্যান্য বিষয় কে অবলম্বন করেই দেখা উচিত।
খালি চোখে দেখলে চোখ খারাপ হতে পারে। এমনটাই জানাচ্ছে বিজ্ঞানীরা । কলকাতা থেকে ৭০% গ্রহন দেখা যাবে এমনটাই আশাবাদী। তবে এক দিনের বেলা অন্ধকারাচ্ছন্ন রাত যে নেমে আসবে তা প্রত্যক্ষ করবে অনেকেই। অর্থাৎ সবমিলিয়ে মোট ছ’ ঘণ্টা ধরে বিভিন্ন এলাকা থেকে দেখা যাবে এই প্রাকৃতিক বিস্ময়।
