ঢাকা, ১০ জুন, : ঢাকা হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে প্রায় ১ কোটি ৩০ লাখ টাকার সমপরিমাণ ভারতীয় মুদ্রাসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করেছে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর কর্তৃপক্ষ।
আটককৃতরা হলেন- আবুল বাশার (৪০), তার বাড়ি ফেনী জেলায় ও তার সহযোগী অপর ব্যক্তির নাম আব্দুস সোবাহান (৫৮)। তার গ্রামের বাড়ি মুন্সিগঞ্জ জেলার লৌহজং থানা এলাকায়।
আজ শুক্রবার সকালে হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গোপনে অভিযান চালিয়ে এই ভারতীয় মুদ্রার চালানটি আটক করা হয়।
শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ( ডিজি) ড. মঈনুল খান আজ বাসসকে জানান, এয়ার অ্যারাবিয়ান জি-৯৫৪০ নম্বরের বিমানটি শারজাহ হয়ে পাকিস্তান থেকে সকাল ৯টায় হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছায়। এর আগে একই বিমানে করে আবুল বাশার করাচি থেকে শারজাহ আসেন বৃহস্পতিবার। আর ওই বিমানের যাত্রী ছিলেন আবুল বাশার। পেশায় একজন সে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী।
আবুল বাশার সকালে বিমানবন্দরে নামার পর তড়িঘড়ি করে গ্রীন চ্যানেল এলাকা দিয়ে বের হচ্ছিল।
তখন শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা তার গতিবিধি লক্ষ্য করে সন্দেহজনক বলে মনে করে। এক পর্যায়ে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা তাকে আটক করে। পরে তার সাথে থাকা ৩০ কেজি ওজনের লাগেজ এর মধ্যে বালিশ ও কম্বরের মধ্যে প্যাঁচানো অবস্থায় প্রায় ১ কোটি ৩০ লাখ ভারতীয় রূপী উদ্ধার করে । বৈদেশিক মুদ্রা পাচারের সাথে জড়িত থাকার দায়ে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা আবুল বাশারকে আটক করে। গ্রেফতারের পর আটককৃত যাত্রী আবুল বাশারের দেওয়া তথ্য মতে হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বাহিরে অপর সাদা রংয়ের টয়েটা ঢাকা মেট্রো-গ-৩১-৮৩৮৫ গাড়িতে অবস্থানরত আবুল বাশারের সহযোগী আব্দুস সোবাহান (৫৮)কে আটক করা হয়। আটককৃত দুই ব্যক্তিকে ব্যাপক জিঞ্জাসাবাদ করা হয়েছে। তারা বৈদেশিক মুদ্রা পাচারের কথা স্বীকার করেছেন।
শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা আজ বাসসকে জানান, গ্রেফতারকৃত আবুল বাশার বৈদেশিক মুদ্রা পাচারকারী চক্রের একজন সক্রিয় সদস্য।
আটককৃতদের বিরুদ্বে বৈদেশিক মুদ্রা পাচার আইনে বিমানবন্দর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। আটক হওয়া ভারতীয় মুদ্রাগুলো কাস্টমস এর হেফাজতে রয়েছে।
শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে কোটি টাকার ভারতীয় মুদ্রা উদ্ধার
