২৯ এপ্রিল,২০২১(বিবিনিউজ ):সাভারে করোনা পরিস্থিতিতে শ্রমিক সংকট নিরসনে অত্যাধুনিক পদ্ধতিতে কম্বাইন হারভেস্টার মেশিনে বোরো ধান কাটা, মাড়াই ও ঝাড়াইয়ের উৎসব চলছে। এতে কৃষকের শ্রম, সময় ও আর্থিক সাশ্রয় হচ্ছে। কম্বাইন হারভেষ্টার মেশিন দিয়ে বোরো ধান কাটার পর ওই মেশিন দিয়ে ক্ষেতেই চলছে ধান মাড়াই, ঝাড়াই ও বস্তাবন্দির কাজ। এতে করোনা পরিস্থিতিতে শ্রমিক সংকট নিরসনের পাশাপাশি সময় ও অর্থের সাশ্রয় হচ্ছে কৃষকদের।
সকালে সাভার উপজেলার শিমুলিয়া ইউনিয়নের শান্তা পাড়া গ্রামে এই ধান কাটা কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন সাভার উপজেলা নির্বাহি অফিসার (এউএনও) মো. মাজহারুল ইসলাম।
অত্যাধুনিক পদ্ধতিতে চাষাবাদ ও আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবছর সাভার উপজেলায় কৃষকদের ধানে চাষে বাম্পার ফলন পেয়েছে। সাভার উপজেলায় এবছর মোট ৮হাজার ১শ ১০ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদ করা হয়েছে।
সাধারণত কৃষকের যেখানে এক বিঘা জমির ধান কেটে মাড়াই করে ঘরে তুলতে খরচ হয় ৫ হাজার টাকা বেশি, সেখানে হারভেস্টার মেশিন দিয়ে ধান মাড়াই করে ঘরে তুলতে খরচ হবে মাত্র আড়াই হাজার টাকা। এতে করে একদিকে যেমন ব্যয় কমে আসছে অন্যদিকে ধান চাষ করে অধিক লাভবান হবেন কৃষকরা।
শান্তা পাড়া গ্রামের কৃষক নিরঞ্জন কুমার সরকার জানান, তিনি এবার দুই একর জমিতে বোরো ধান চাষ করেছেন। করোনা পরিস্থিতিতে শ্রমিক সংকটে চরম বিপাকে পড়েন পাকা ধান কাটা ও মাড়াই করে ঘরে তোলা নিয়ে। সাভার উপজেলা কৃষি বিভাগের উদ্যোগে কম্বাইন হারভেস্টার মেশিনে অর্ধেক খরচে ধান কাটা ও মাড়াইয়ের কাজ করতে পেরে খুশি তিনি।
সাভার উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নাজিয়াত আহমেদ জানান, সাভার উপজেলা কৃষি বিভাগ করোনায় শ্রমিক সংকট নিরসনে সরকারি ভর্তুকি দিয়ে সাভার উপজেলায় কম্বাইন হারভেস্টার দিয়ে ধান কাটা ও মাড়াইয়ের কার্যক্রম শুরু করেছে। এতে কৃষক ঝামেলা থেকে একদিকে যেমন বেঁচেছে, তেমনি শ্রম, সময় ও অর্থ সাশ্রয় হচ্ছে।
সাভারে বোরো ধানের বাম্পার ফলন
