অন্ধকার থেকেই আলো ও সৃষ্টির উপাদানের বিকাশ আর যে শক্তি স্থান ও সময়-কে বিভক্ত করছে সে “কুন্ ফাইয়াকুনের কুদরতে” (হয়তো ১০০ কোটি বছর আগে তরঙ্গ প্রবাহিত*) ভূমণ্ডলীয় ও নভোমণ্ডলের আয়ুষ্কাল (ভারসাম্য-স্থায়িত্ব) দীর্ঘস্থায়ী করার প্রস্তাব ” স্রষ্টার সৃষ্টি ও মহাপ্রলয় তত্ত্ব ” Separation & Cataclysm Theory সাবধান ! Shrivelled leaven (P, ATEAGC-P, TIE) Level – O to The Time of Death (O) Level – 8 পৃথিবীর সমস্ত দেশের সরকার ও বিশ্ব গবেষক-বিজ্ঞানীদের (চিন্তাশীল-বুদ্ধিজীবী) প্রতি আমার প্রণীত ” স্রষ্টার সৃষ্টি ও মহাপ্রলয় তত্ত্বীয় তত্ত্বকোষ (তত্ত্বজ্ঞ) তত্ত্ব ” Separation & Cataclysm Theory ‘ র পর্যালোচনা, দিকনির্দেশনা, বাস্তবায়ন ও সঠিক পদক্ষেপের মাধ্যমে বিশ্ব-ভ্রম্মান্ড-সহ পৃথিবীর প্রাণীকুল (মানবতা-মায়া মমতায় বন্ধন) আবাসভূমিকে দীর্ঘসূত্রের দীর্ঘস্থায়ী আয়ু বা অন্যান্য সৃষ্টি বস্তুকে স্ব-স্ব স্থানে বজায় রাখার জন্য আমাদের সংশয় দূর করার লক্ষ্যে এই উপস্থাপিত জ্ঞানানুসন্ধানে প্রকৃতিদত্ত গুনের দর্শনশাস্ত্রের তত্ত্ববিদ্যা ও ব্যাখ্যা প্রয়োগকৌশল বিশ্বমানবতার কল্যানে সার-সংক্ষেপ উপস্থাপন করা হচ্ছে। সৃষ্টির আদিতে কিছুই ছিল না ইহসংসারে, এক শূন্যের মায়াবী রহস্য ছাড়া। আধুনিক বিজ্ঞানের মতে ‘শূন্য’ থেকেই সবকিছুর উৎপত্তি*। গ্যালিলিও আর শিল্পী লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি যে গণিতকে ‘প্রকৃতির ভাষা’ বলে আখ্যায়িত করেছিলেন, অর্থাৎ ‘নাই’তেই ‘আছে’র জন্ম। মহাবিশ্ব ‘চোখের পলক ফেলার সময়ে’ একশ ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন গুণ বিস্তার লাভ করেছে*৷ স্টিফেন হকিং,স্টিফেন ওয়েনবার্গ,অ্যালেন গুথ, আঁদ্রে লিন্ডে, আলেকজান্ডার ভিলেঙ্কিন, লরেন্স ক্রাউস-সহ মূলধারার প্রায় সকল পদার্থবিজ্ঞানী আজ মনে করেন, আমাদের এই মহাবিশ্ব একটি ‘কোয়ান্টাম ঘটনা’ হিসেবেই একসময় আত্মপ্রকাশ করেছিল কোয়ান্টাম ফ্লাকচুয়েশনের মাধ্যমে একেবারে ‘শূন্য’ থেকে*। প্রতিটি সৃষ্টিকৌশল-সৃষ্টিকরণ-সৃষ্টিনাশ ও সৃষ্টিসুখের সমষ্টি সকলজন্ম সৃষ্টি বস্তু গনিতের গাণিতিকবিধি হিসেব মোতাবেক নিয়ন্তিত, গাণিতিক হিসাবও নিয়ন্তিত হয় পরিপূর্ণ নিয়মতান্ত্রিক ব্যবস্থাপনায়। ভবিষ্ণু অনির্ধারিত বিধানগুলোও নিয়ম্য (নিয়ম-নীতির পূর্বং) পূর্ব নির্ধার্য নির্ধারিত ব্যবস্থাপনা এক অতীব সূক্ষ্ম বিধান দ্ধারা নিয়ন্ত্রিত বিধায় everything is ok, discussion for secret thing if the ” Time of death (0) level – 8 ” but you have not any complete (proper / perfect) decision in your think bank (tank). যদি না আমাদের lie argument (all / any kinds of subject) প্রতিষ্ঠিত (established location) থেকে cut off (transfer / invalid) বা সংশোধন না করি, unlimited argument এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত institute, college or university-তে যে সাংঘর্ষিক কথা / মত (contradiction theory)-কে সত্যে রূপান্তরিত করে ভূলের উপর প্রতিষ্ঠিত low-কে আকড়ে চলি তাহলে universal (universalism) truth কে অবিশ্বাস-অষাঢ় করে ডাষ্টবিনে নিক্ষেপ করিলে কি হতে পারে তা সহজেই অনুমেয়। বাস্তব্য বাস্তববাদের বাস্তবতা এই যে, সূর্যদেবের সূর্য্যি তার নির্ধারিত সূর্যপথে সূর্যঘড়ি আলো দিচ্ছে যা চলমান এক নির্ধারিত সময়কাল পর্যন্ত। কক্ষপতির নির্দেশে কক্ষীয় কক্ষপথে সৃষ্টি সকলে (শতকরা ৯৯.৯ ছাড়া ০০.১ কিছু ব্যতিক্রান্ত গ্রহ বা অন্যদল বাদে) ঘূর্ণাবর্ত ঘূর্ণায়মান ও ভারসাম্যাবস্থায় ভারসাম্য বিরাজমান। তাই সকল সময় পূর্বে আমার প্রণীত Majority & Minority Theory র আলোকে Minus Formula দিয়ে O কে হিরো বানানো যাবে না। আমাদের সৃষ্টি জগতের প্রকৃত অবস্থা-সরূপ উন্মোচন করতে হবে শ্রষ্ঠার সেই নিখুঁত পবিত্র অনু বিধানের পর্যালোচনা করে ঐক্যের ভিত্তিতে “New Perfect Theory ” and “The Last Thinking ” সৃষ্টি ও মহাপ্রলয় তত্ত্বের আলোকে। Our thinks have to extent for better think with better period then ” The time of death (O) level – 8″ coming naturally and slowly*. স্রষ্ঠার সৃষ্টি ৯ টি ধাপে আবদ্ধ। ৯ টি ধাপ মূলত ৭ টি ধাপের মূল, আবার প্রতিটি ধাপ ৭ টি ধাপে বা স্তরে বিভাজিত, ৭x৭=৪৯ টি স্তর শ্রষ্ঠার সৃষ্টিতে বিরাজমান, আল-কোরআনে যেখানে ৭ আসমানের কথা বলা হয়েছে, যাহা ৭ এর ই লীলাখেলায় ৪৯ টি, যা মৌলিক সংখ্যার বেড়া জালে আবদ্ধ। Visible-Invisible সমগ্র সৃষ্টি জগত (প্রকাশ্য) প্রকাশক্ষম প্রকাশিত (অপ্রকাশ্য কিছু বিষয় ছাড়া) হওয়ার আগে Perfect anything that effects a general change or To influence extensively, ধুম্রমন্ডিত সংকুচিত মন্ড আকারে অবস্থান করিয়াছিল শুধু সৃষ্টির মৌলিক উপাদান সমষ্টি । পরবর্তীকালে পরিবর্তিত হয়ে Separation Theory (Theosophy) র মধ্য দিয়ে সম্প্রসারণ ও রূপায়ন ঘটে so “Big Bang” নয় Separation from P, ATEAGC-P, TIE ঘটেছিলো ঐ timing এ। Perfect Separation from P, ATEAGC – P, TIE shriveled leaven in The Time of Death(O) level – O to level – 8, that level – O is my subject for all তাই সংকুচিত মন্ডই হলো My Level – O বিভিন্নার্থক সময় বিভিন্ন প্রতিকূলগামী পথ* পেরিয়ে পরিবর্তন, ক্ষয়, রূপান্তরযোগ্য স্থিতি ভারসাম্য বিধান প্রাপ্ত হয়ে অতি উত্তপ্ত বস্তুকণা ও পিন্ড ক্রমান্বয়ে divert to ‘water level’*, long long ago stay that level-O in the life’s power* এক পর্যায়ে Second changing being* দ্বারা আবাদিত হয়ে তৃত্বীয় স্টেপে ‘Human being’ perfect plus situation stage – 3 level – 4 এ আগমশাস্ত্রীয় মতে পদার্পণ At the present time we are stay in level-6 আর জগতকর্তার সৃষ্টি জগত সহ পৃথিবী ধ্বংস হবে level – 8 তথা In the time of death প্রানের অস্তিত্ববাদের অস্তিত্ব টিকাইয়া রাখবার জন্য নব-মন্ডল নামক ছাদ+পৃথিবী নামক বিছানা=ঘর বা বাড়ীর হেফাজত একান্ত দরকারী কেননা সৃষ্টিকর্তার সকল সৃষ্টি সমষ্টি (ও সকলজন্ম) প্রাণীরাজ্য বিশেষত মানবজাতির মানবকোষের কল্যানে নিয়োজিত, পৃথিবীর উপহার সুসমাজ ব্যবস্থা। শ্রেণীবিন্যাসকৃত মহাজ্ঞানীর মহাজগত, পৃথিবী, ভূগঠনের ভূগর্ভস্থের পৃষ্ঠতল ও পৃষ্ঠভাগের উপাদান মহা-সৃষ্টির আলোকে সুবিন্যাস্ত, হাদিসে পাই – “দুনিয়া তোমাদের জন্য সৃষ্টি করা হয়েছে, আর তোমরা সৃষ্টি আখিরাতের জন্য”। তাইতো সৃষ্টিকর্তার শ্বাসনতন্ত্রের শ্বাশত বাণী – ” মুক্তাকী পথিকদের জন্য পথ প্রদর্শিকা “। কখনো কখনো আমার মনে জাগে একটি শ্লোগান শ্লোক “আর নয় গাছ, পৃথিবী সুখে থাকুক বার মাস”*! ভূপৃষ্ঠ+ভূগর্ভস্থ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাধর্মে চাপ প্রয়োগ ও সৃষ্টিরক্ষা ও সৃষ্টিরহস্যে শূন্যতা সৃষ্টির বিপরীতগামী হেতু মহাশূন্যচারী থেকে প্রাপ্তধন বা উপাদান পুংঙ্খানু-পুঙ্খ বিচার বিশ্লেষণ এবং Perfect System দ্বারা সহনশীল পন্থা অবলম্বন করা একান্ত প্রয়োজন। আরত্ত সৃষ্টি তত্ত্বে ভুমন্ডল ও ভূমন্ডলের পাহাড় পর্বতের ভূমিকা আল-কোরআনের সূরা আল-হিজর, সূরা হা-মিম সাজদায়, সূরা আবাদ ৫৫ নং আয়াতের শেষাংশ, আয়াত ৫৬ প্রথমাংশ, আয়াত ৭৪, ৭৮, ১৮৫ প্রথম-মধ্যমাংশের ব্যাখ্যায় আমরা কি পাই ? আমরা ভীত শংকিত একারণে যে, পৃথিবী কি তার মহাপ্রলয়ের শেষ প্রান্তে এসে দাঁড়িয়েছে ? = ১০০০০০ = ১০০০০০০০* বা ৫০০০০ = ৫ = ৫০০০* শুধু মাত্র আপেক্ষীক তত্ত্বের আলোকেই সম্ভব। খণ্ডিত হবে অতি সূক্ষ্মাতিসুক্ষ বস্তু রূপে হবে সম্প্রসারণ*। মহাকাশযান বা রকেট উৎক্ষেপনে আমাদের কি কি ক্ষতি হয় তাহা কি আমরা ভেবে দেখেছি ? এবং শূন্য আকাশ ? গোলাকার মহাবিশ্বের প্রতিটি ভিন্ন-ভিন্ন সৌরজগতের অনুবিদ্ধ একসংখ্যার একটি বস্তু Magic গ্রহ কি ? পৃথিবীর উপর ৭টি স্ববেষ্টনীযুক্ত বলয় অবস্থিত। সূর্য তথা বিভিন্ন প্রকার নাক্ষত্রিক আলোক আভায় আলোকিত আবিষ্কৃত বলয়গুলো অত্যন্ত সুরক্ষিত প্রতিরক্ষা ছাদ হিসেবে গণ্য করা হয়। বায়ুমণ্ডলের বিভিন্ন স্তরে রক্ষিত অবস্থিত বিভিন্ন প্রকার গ্যাসীয় পদার্থ অন্যান্য ভাসমান জলীয় কণা পরিণত হয় নীল বর্ণে। সূর্য্যের অতি নীল-রশ্মিকে (শোষণ-বিশোষণ) চুষে 7 Sky Act এবং মাধ্যকর্র্ষণ শক্তিহীনতার বা ক্ষত সৃষ্টির কারণে উল্লেখিত প্রতিরক্ষা ছাদ Sky defense over & covered cantonment অরক্ষিত ও ধ্বংস প্রাপ্ত হয়ে New Power & Re-Power এর আগমন আমার প্রত্যাশার বাহিরের বিষয়। সংকুচিত হবে সম্প্রসারণ*।Example for Black Hole ২০১২ এবং ২০২০ বাংলা সনের ভিতর keep dark & light for way of moon আমাদের adaptation and absorbent (Element Amalgam*) দ্বারা আক্রান্ত হয়ে তার নিজস্ব নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থায় লক্ষণীয়ভাবে প্রাথমিক ভাবে (সৃষ্টি জগতে) শক্তি ভারসাম্য হারাতে শুরু করবে ফলে Difficult situation and challenging part suddenly coming soon time by time side by side এর আগমন সহ সেথায় শুরু হবে বা দেখা দিবে মারাত্মক ব্যাধি যাহা পৃথিবী সহ সকল স্তরেই ঘটবে, যাহা চলমান এবং সম্ভবত আগত এই সময়টি ২১০২, ২০০১২ অথবা ২০১২০ শুভকর নয়। বিশ্ব ব্যবস্থায় অধুনাতন (নব) আরেকটি বিরাট পরিবর্তন সাধিত হবে যাহা হিতকর নয়*। পাশাপাশি পরিবর্তন ঘটিবে মানব জাতির Sense of Humors-Organ Divert to Ablaze & Abnormality এর ফলে ভূমন্ডল-নভোমন্ডলের পরিবেশে Adaptability হারিয়ে ফেলবে, ব্যাপক উৎকৃষ্ট (অতি উন্নত) সভ্যতার চার্ পাশে (Unseen Danger) অদৃশ্য শনির আস্ফালন ঘাট শশ্মান এবং বিবর্তনের (Ebulation) এর হাত থেকে রক্ষা Out of Danger Massage পাইতে জরুরী ভিত্তিতে Abstention প্রদর্শন পূর্বক পদক্ষেপ হাতে নেওয়া একান্ত দরকার যদিওবা The abyss of despair এর ভিতর আমরা অবস্থিত। কারণ Stinging Nettle এর মতো জানা-অজানা ও আবিষ্কৃত-অনাবিষ্কৃত গ্রহে বা সৃষ্টি জগতে এর বিরূপ প্রভাব আমরা ফেলতে পারি না। যদিও ইহা The Acid Test & Horns of a Dilemma স্বরূপ। সূরা ত্বাহা আয়াত ৬, সূরা আম্বিইয়া ১৬,৩২, সূরা কাফ ৬ এর শেষাংশে এরশাদ হচ্ছে – “(আকাশে) নাই কোনো ছিদ্র”, কিন্তু বর্তমানে Man Made বিবর্তনের জন্য বা নেটের ছিদ্রতার জন্য বায়ুমণ্ডলের পরিবর্তন বিকৃতির বহিঃপ্রকাশ মাত্র। পৃথিবীর ৩ ভাগ জল এক ভাগ স্থল আবার ঐ ১ ভাগ স্থলের ৩ ভাগের ১ ভাগ জলে পরিণত হবে, যাহা ভবিষ্যৎ বলে দিবে বা দিচ্ছে। তাই নিম্নভূমি, সমভূমি ও উপকূলবর্র্তী দেশ সমূহকে Danger Range এর বাহিরে রাখতে আমাদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা ও ঐক্যবদ্ধ Decision নিতে হবে। সূরা মূলক আয়াত ৩,৪,৫, সূরা আল হিজর ৩,৪,৫,১৪,১৬,১৭,১৮, সূরা ছোয়াদ ১০,১১ পর্যালোচনা যোগ্য। so Three countries & four sky location*(indicate path or landmark) coming soon next part 2 of 3 সূরা আল হাক্কাহ আয়াত ১৬ তে এরশাদ হচ্ছে – “আর আসমান ফাটিয়া যাইবে, কারণ উহা সেই দিন নরম হইয়া যাইবে”। Spectroscope in The Holly Quran Chapter Ar-Rahman 7,8,29, সূরা জাছিয়াহ ৫, সূরা মুরসালাত ১,২,৩,৪,৫, my Classification Air in the World দ্রষ্টব্য। আল-কোরআনের সূরা বাকারাহ আয়াত ২৭ – “যারা আল্লাহর সাথে পরিপক্ক অঙ্গীকারের পর তা ভঙ্গ করে ও যে সূত্র অক্ষুন্ন রাখতে আল্লাহ নির্দেশ করিয়াছেন তাহা তোড়ে এবং পৃথিবীতে সৃষ্টি করে অশান্তি ওরাই ক্ষতিগ্রস্থ”। সূরা আন-নিশা – ১১৯ এর শেষাংশের বয়ান – “যার ফলে তারা পরিবর্তন ঘটাইবে আল্লাহর সৃষ্ট সৃষ্টি; যে ব্যক্তি আল্লাহকে ছাড়িয়া শয়তান কে বন্ধুরূপে গ্রহণ করে, তবে সে সুস্পষ্ট ক্ষতিগ্রস্থ হইলো”। সৃষ্টি তত্ত্বে হার্প প্রযুক্তি যাহা বায়ু মন্ডলের পরিবর্তন সাধনের কুফল সৃষ্টিকারী আকাশের দিকে তাক করা সহস্রাধিক এন্টিনা বা রাডার, এই এন্টিনা বা রাডার দিয়ে বায়ু মন্ডলের আয়নমণ্ডল ও চুম্বুকস্তর নিয়ে ম্যাধ্যাকর্ষণ-রেডিয়ামে বড় ধরণের ধ্বংসাত্মক Destroyed Experiment চালানো হচ্ছে যা চলমান, যার ফলে কৃত্রিম টর্নেডো বা জলোচ্চ্বাসের উৎপত্তি হওয়া অস্বাভাবিক কিছুই নয় ? সূরা মুরসালাত আয়াত ২, সূরা তাকবীর আয়াত ৬, সূরা আল-হিজর আয়াত ২১, সূরা আল-ইমরান আয়াত ১০৮ – “আল্লাহ সৃষ্টিজগতের প্রতি জুলুম করিতে চাহেন না”। ভূ-গর্বস্থ উপাদান সংগ্রহ করে শূন্যতা সৃষ্টির মাধ্যমে জীবনী শক্তি, ভূ-পৃষ্ঠ তথা পৃথিবীর ভারসাম্যে তার পূর্বের স্থায়ীত্ব ধরে রাখতে পারে না। মানব দেহের এপেন্ডিক্স সাইড অকার্যকর করার মতোই ভবিষ্যত অন্ধকার। আল-কোরআনের সূরা আন-আম আয়াত ৫৯ এর শেষাংশে বলা হচ্ছে – “এবং ভূ-গর্বস্থ অন্ধকারের মধ্যে এমন বীজ নাই এবং সরস ও নীরস সৃষ্ট কোনো বস্তু এমন নাই, যা অত্র কিতাবে নাই”। আমরা অত্র আয়াতের মারাত্মক অপব্যবহার করে যাচ্ছি। মানুষ হিসেবে আমরা এক We are human being so we leave together মূল কথা হচ্ছে, আমরা যদি ভালো মন্দ জানিও তারপরও বলব, আমাদের দর্শন পূর্ণভাবে সঠিক নয়। আমরা ভুল করছি এক-এক জন এক-এক ভাবে। এবং আয়াত ৬৭ – “প্রত্যেক সংবাদের আছে নির্দিষ্ট কাল”। আয়াত ১০৪ – “রব হইতে দিব্যজ্ঞান তোমাদের কাছে আসিয়াছে তাই যে কেহ তা অর্জন করিতে পারিবে তা তার কল্যানেই, ভ্রান্ত হইলে নিজেই হইবে; নাহি আমি তোমাদের রক্ষক”। সূরা আর-রা’আদ আয়াত ২ প্রথমাংশে – “যিনি আসমান বিনা খুঁটিতে উচ্চে স্থাপন করিয়াছেন তা তোমরা দেখিতেছ”। সূরা ফুরকান আয়াত ৪৬,৫৩ – পুনঃ আমি তাকে (সৃষ্টি সকল সৃষ্টি সহ আকাশমণ্ডলীর বস্তু) ধীরে টানিবার মতো আমাতে টানিয়া লই”। সূরা সবা, সূরা ফাতির, সূরা ইয়াসিন, সূরা জুমার, সূরা শুরা, সূরা আরা’ফ এর ৪০ শেষাংশে – “যে পর্যন্ত না সুইয়ের সূত্র-ছিদ্রে উট প্রবেশ করে”। সূরা আর-রহমান, সূরা নূর, সূরা আন-নাবা, সূরা ইনশিকাক নিয়ে গবেষণা দরকার। Anyway ব্রেনের সেরিবাল বলয়ের দুই ভাগের ভিতর প্রথমে ডান বলয় বা অংশের কল্পনা বিভাগ থেকে উৎক্ষিপ্ত হয়ে বাম বলয়ের মাধ্যমে নির্গত হয় বিজ্ঞানের আবিষ্কার বা ভাবনা। এম.আই.টির অধ্যাপক অ্যালেন গুথের ‘The Inflationary Universe’, রুশ বিজ্ঞানী আলেকজান্ডার ভিলেঙ্কিনের ‘Many Worlds in One’,বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং–ম্লোডিনোর ‘The Grand Design’,বিজ্ঞানী লরেন্স ক্রাউসের ‘Universe from Nothing’ বইগুলোর গুরুত্ব রয়েছে। নিউরোসাইন্স, কোয়ান্টাম মেকানিক্স (ফিজিক্স) ও জেনিটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিংশ শতকে মানবের দৃষ্টি ভঙ্গিতে প্রভাব ফেলে। নিউটোনিয়ান মেকানিক্স বস্তু কেন্দ্রিক বিজ্ঞান+চেতনা নির্ভর বিজ্ঞান সমন্বয়ে Maker or Worker হলে কেমন হয় ? বিখ্যাত বিজ্ঞানী নিউটন ও ম্যাক্সওয়েলের সূত্র ধরে পদার্থ বিজ্ঞান ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষ ভাগে এক সুশৃঙ্খল বিশ্ব দৃষ্টি উপহার দেন। সে বৈজ্ঞানিক ধারায় সকল কিছুই একটি নিয়মের অধীন। ১৯০৫ সালে নব তত্ত্বের বস্তুগত বাস্তবতা প্রতিষ্ঠা ও দর্শনের আগমনকে বিজ্ঞানী আইনস্টাইন তাঁর বিখ্যাত Theory of Relativity উপস্থাপনের মাধ্যমে বিশ্ব দৃষ্টিতে ভাঙ্গনের সৃষ্টি করেন। নবমন্ডল-ভূ-মন্ডল এবং মধ্যস্থিত ভারসাম্য বজায় রাখার উপরই নির্ভর করে স্রষ্টার অস্তিত্ব। আমাদের অব্যবহৃত কখনো কখনো ৮০%* বা (Last-10*) রহস্যময়ী ব্রেনের Activity দ্বারা আরো উৎকৃষ্ট দৃষ্টান্ত রেখে যেতে পারি তাহলে (সৃষ্টিকর্তা প্রদত্ত মতবাদ, মানবীয় বিচার-বুদ্ধি ভিত্তিক মতবাদ, মনস্তাত্ত্বিক মতবাদ ও নৃ-তাত্তিক মতবাদের কারণে*) আমাদের দর্শনও Contradiction বয়ে আনবে না। MRT নিউরো-সাইন্টিস্ট প্রফেসর ফ্রান্সিস স্মিথের কোথায় – “মানুষ যদি আবিষ্কার করিতে পারে কেন সে অনন্য, তাহলে সে নিজেকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাবে না এবং এখনকার চেয়ে নিজেকে বেশী শ্রদ্ধা করবে”। তাই আমাদের অনন্যতাকে ধরিয়া রাখিতে হইলে ধরিয়া রাখিতে হইবে সৃষ্টি বস্তুর ভারসাম্য, আর এই ভারসাম্য ফিরিয়ে আনার ভিতর লুকায়িত আমাদের সামগ্রীক স্থায়িত্ব। মানুষের মস্তিস্ক অত্যাধুনিক কম্পিউটারের চাইতেও কমপক্ষে প্রায় ১০ লক্ষ গুন্ বেশী কার্য ক্ষমতা সম্পন্ন*। মানুষই জেনিটিক কোড-কে ভাঙতে পেরেছেন এবং পরমাণু-কে চূর্ণ করেছেন। আপনার প্রতিটি চিন্তা, চেতনার মাধ্যমে ব্রেইনের নিউরোনে অবস্থিত অক্সিজেন, হাইড্রোজেন, কার্বন, নাইট্রোজেনের পরমাণুগুলো স্থান পরিবর্তন করে, তেমনি নিজ-নিজ কক্ষে ঘূর্ণায়মান বা পরিবর্তিত হচ্ছে বিশ্ব-ব্যবস্থা। বিজ্ঞানে বিশ্ব পরিবর্তনে জেনিটিক ইঞ্জিনিয়ারিং মূল কেন্দ্র দেখতে টেপের মতো বা প্যাচানো সিঁড়ির মতো (ডি-অক্সিরাইবোনিউক্লিক এসিড) ডিএনএ-আরএনএ কোড-ই যত্নের সহিত সংরক্ষিত সেই তথ্য ভান্ডার দ্বারাই সকল প্রাণ নিয়ন্ত্রীত ও বিকশিত হয় বলেই একে প্রাণের Blue Print বলা হয়। অপরদিকে আকাশ দেশ ভুমন্ডলেও একটি সুশৃঙ্খল নিয়ন্ত্রিত বিশ্ব ব্যবস্থা লয় কোড আছে সেটিও কসমিক ইনফ্লেশন’ বা মহাজাগতিক স্ফীতির (ও মাইক্রোওয়েভ*) blue print এর মতোই কাজ করে যাচ্ছে। আবার প্রত্যেকটি সেল ভিন্ন ভিন্ন অনু-পরমাণু দ্বারা গঠিত যা মূলতঃ উড়ে বেড়ায়, ইতস্তত বিক্ষিপ্ত ভাবে ঘুরে বেড়ানো বায়ুমণ্ডলের অ্যাটমিক অতি ক্ষুদ্র কোন পদার্থ পরিবর্তিত-রূপান্তরিত হয়ে অতিক্রম করে প্রাণ ও নিস্প্রান বস্তুর অদৃশ্য এক সীমানা। হাইপো-থালামাসে থাকা সুপ্রাচীয়াসমেটিক নিউক্লিয়াস নামে অবহিত এক ক্ষুদ্র নিয়ন্ত্রিত কেন্দ্র চাকার অভ্যন্তরের চাকা-কে নিয়ন্ত্রিত করে। যেমন “স্রষ্টার তসবিহ’র নিয়ন্ত্রণের সুঁতোয় গাঁথা সকল সৃষ্টি জগত”*। যাহা আল-কোরআনে আভাস পাওয়া যায়, এছাড়াও তাওরাত, যবুর, ইঞ্জিল কিতাবের গীত, হিতো, ইব্রীয়, ইফি, যাত্রা, যিশা, যাকোব-এর মাঝে নিদর্শন রয়েছে, রয়েছে Lun-yu, Tao-Te-Ching, Kojiki, এভেস্তা, ত্রিপিটক, দাওবাদ, আর্য ধর্ম, মনুসংহিতা, বেদ সহ হিন্দু ধর্ম গ্রন্থর উপনিষদ, পুরান, রামায়ণ, মহাভারতের আদিপর্বের সৃষ্টিবর্ণন অংশ ও অন্যান্য ধর্মগ্রন্থেও। সরবত্তম শুভয়ম হে আর্যং। তাই বিশ্ব বিখ্যাত বিজ্ঞানী কর্তৃক উপস্থাপিত তত্ত্ব বা ফর্মুলায় অপূর্ণতাই থেকে যায়, যাহা ত্রুটি মুক্ত নয়। তাই আমাদের দরকার ঐক্যমতের “New Perfect Theory” যা স্রষ্টার সৃষ্টি জগতের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। কেন না They are complementary each other মহাবিশ্ব বিকশিত (start) হওয়ার আগে কালের অস্তিত্ব ছিলো কিন্তু সেটা stop অথবা স্থির ছিলো বা অপরিবর্ধিত সুপ্ত অবস্থায় ছিলো, গতি বা চলমান ছিল না। আপনি যে দিকেই দৃষ্টিপাত করেন না কেন মনে হবে সুদূরের নীহারিকাগুলো আপনার দৃষ্টি সীমানার বাহিরে চলে যাচ্ছে, মহাবিশ্ব প্রসারমান*। অসীম ক্ষুদ্র মহাবিশ্ব ও অসীম ঘনত্বের অধিকারী, সেই বস্তু বা মন্ড পরবর্তীতে সীমাহীন আকার ধারণ করে ও করেন সৃষ্টিকর্তা ৬ দিনে*, Theory of the Separation so Big Bang এখানে কার্যকরী নয়, হয়েছিল (২) Perfect Separation from P,ATEAGC-P,TIE (মন্ড) level-1*, এর পর থেকে পূর্বের সৃষ্টিকৃত স্টপ করা কালের সুইচ-কে on করে দেওয়া (রূপক অর্থে) হয় যা মহাপ্রলয় ক্ষণ প্রর্যন্ত ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে। First stage level-1 এ অক্সিজেন পর্যাপ্ত ছিল না। তাই বিভিন্ন প্রকৃতির প্রাণীজগত Different’s Animal’s* এর আগমন ঘটিয়ে অক্সিজেনের পূর্ণতা দান করা হয়। তাঁহারা কার্বনড্রাই অক্সাইড গ্রহণ করতেন আর ত্যাগ করতেন অক্সিজেন। এক পর্যায়ে perfect time এ এই পৃথিবী মানুষের বসবাসের যোগ্য বা আদর্শ পরিবেশ সৃষ্টি হওয়ার পর মানুষের আগমন ঘটে (৫) perfect plus situation start -3 level – 4 এ এসে। কেননা perfect location for animal, human being and other’s এটাই perfect logic বা দর্শন বা reality স্থির মহাবিশ্বের প্রসারণ যদি যথেষ্ট শ্লথ গতিতে হয় তা’হইলে শেষ পর্যন্ত মহাকর্ষীয় বল প্রসারণ বন্ধ করিবে এবং তারপর শুরু হইবে সংকোচন। বল প্রক্রিয়া, মহাকর্ষীয় শক্তির ফলে মহাকালের উৎপত্তি (অবরোহন-সূত্রপাত) (৯) The time of death(O) level-8 “ইহার (সৃষ্টির) উপর অবস্থিত যাবতীয় বস্তু ধ্বংসের অধীন*। শুধু তোমার সম্মানিত প্রভুর সত্ত্বা লয়হীন ও অনন্তস্থায়ী”*-৫৫:২৬-২৭ ও (২৮:৮৮) অসম্ভব কিছুই নয়। তাই সূরা আল-কাছাছ এর আলোকে স্রষ্টার নির্দেশিত পথ The complete that way মোতাবেক আমরা যদি আমাদের অবস্থান পরিষ্কার করতে সক্ষম হয় এবং তার বিধানে ক্ষতি বিকৃতি সাধন না করে দীর্ঘস্থায়ী বা স্থায়ী বিধান হিসেবে গ্রহণ করি তাহলে আমাদের কর্মের ফলাফলে সন্তষ্ট হয়ে সৃষ্টিকর্তা দিনকে কেয়ামত পর্যন্ত শ্লথ গতি “One kinds of Extension” সহ দীর্ঘস্থায়ী করে দিতে পারেন।তাইতো স্রষ্টা কিছু বিষয় গুপ্ত রেখেছেন সৃষ্টির কল্যাণে, সৃষ্টিকর্তা এই স্থায়ীত্ব মূলত আমাদের কর্মের ভেতরে ছেড়ে দিয়েছেন। তাই আমার উপস্থাপিত গবেষণাধর্র্মী “স্রষ্টার সৃষ্টি ও মহাপ্রলয় তত্ত্ব বা Separation & Cataclysm Theory স্রষ্টার শ্বাশত সকল বিধানের সাথে মিল রাখার চেষ্টায় সর্বাত্মক ভাবে সজাগ এবং Part – 2 & Part – 3 তে এর উপর complete treatment পেশ করবো ইনশাআল্লাহ। Another problem – Invisible bullet, Electro Magnetic Field (EMF) or Man made Electro Magnetic Field (MMEMF), WHO and the office of technology assesment of the congress of the united state এর উদ্বেগের কারণে MMIB and NIB নিয়ে আমারও দীর্ঘদিনের গবেষণার বিষয়বস্তু। ১৯৮৭ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পেন্টাগন থেকে প্রকাশিত Soviet Military Power এবং বিকিরণ বৈজ্ঞানিক ডক্টর রবার্ট ও. বেকার লিখিত – Body Electric:- Electromagnetism and the foundation of life এর বিষয়গুলোর পর্যালোচনায় Genetic Mutation & Next Generation বিষয়গুলো আমাদের সামনে এসে পড়ে। যাহা নাকি সৃষ্টি জগতের বিদ্যুত চুম্বকীয় পরিবেশে অতি ধীরে ধীরে The time of death কে ত্বরান্বিত করার মতো হস্তক্ষেপ, যাহা আসলেই ভয়ের কারণ। ফেটিশিজম বা ইন্দ্রজালবাদ, টোটেমিজম বা উৎসবস্তুবাদ, অ্যানিমিজম বা সর্বত্নাবাদ সহ পৃথিবীতে প্রায় ৪৩০০ বা ৪২০০ ধর্ম ও ধর্ম দর্শন আছে, প্রায় সকলে বিশ্বাস করে সৃষ্টির পিছনে একজন স্রষ্টার হাত আছে*। তাই পরিহার করতে হবে প্রতিযোগিতা, যুদ্ধ, মারণাস্ত্র, উচ্চাভিলাষী অভিযোজন, কৃত্তিম রাসায়নিক আকর্ষণের মতো অন্যান্য ক্রিয়াগুলো বিবেচনা প্রসূতভাবে বাদ দিতে হবে। Discerning ত্যাগ স্বীকার ও সঠিক গবেষণা দ্বারা আমাদের মেধাকে ভিন্নখাতে পরিচালিত না করে সঠিক খাতে পরিচালিত করাই উত্তম, এজন্য প্রয়োজন বিশ্ব জাগরণ এবং এর দায়িত্ব নিতে হবে পৃথিবীর অতি সচেতন সমাজকে। জাতিসংঘ ও নাসা সহ সকল গবেষণা সংস্থা-কে বিশ্ব জাগরণের আহ্বান জানাতে হবে। নির্দিষ্ট নীতিমালা তৈরী করার মাধ্যমে অতিদ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করণেই কিছুটা হলেও ভয়াবহতার হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে। সৃষ্টিকর্তার ইচ্ছায় ও প্রেরিত জ্ঞানের নিখুঁত আলোর প্রথম ধর্ম (বা বিজ্ঞান) বিধান সহ প্রথম নবী ও প্রথম আদি মানব হযরত আদম (আঃ) এর পৃথিবীতে আগমন ঘটেছিল সম্ভবত আজ থেকে প্রায় ৬০০০ থেকে ১০০০০ বছর পুর্বে। অনেক বিশেষজ্ঞের মতে সম্ভবত খ্রিষ্টপুর্ব ৪০২৬ সালে আদম (আঃ) পৃথিবীতে এসেছিলেন এবং এ ধারাবাহিকতা আজ থেকে প্রায় সাড়ে চৌদ্দশত পূর্বের আল-কোরান ও মহানবী (রাসূল) মুহাম্মদ (সাঃ) নিয়ে আসেন সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ সংস্করণ ধর্ম বিধান ও বিজ্ঞান। সেই সকল মহাপবিত্র ধর্ম বিজ্ঞান কে ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ ও গবেষণা করে সাধারণ মানুষ হয়ে যায় অসাধারণ তথা বিজ্ঞানী। তাই গবেষণায় দেখা যায়, আমরা যাদের বর্তমানে বিজ্ঞানী হিসেবে মানি তারা সকলেই সেই সকল মূল তত্ত্বের (ধর্ম বিজ্ঞান) বইয়ের ছাত্র থেকে শিক্ষকে রূপান্তরিত মাত্র এবং তাদের ওস্তাদ সেই সকল নবী-রাসূল যাকে আমরা বার্তা বাহক বলে জানি। তাই বর্তমান পৃথিবীর বিজ্ঞানীদের গবেষণায় ভিন্নতা দেখা যায় ও যাহা সে সকল ধর্ম বিজ্ঞান বইয়ের সাথে মাঝে মাঝে সাংঘর্ষিক হয়ে যায়। প্রমাণিত সত্য, ধর্ম বিজ্ঞানের আগে কোনো থিওরী নিয়ে কোনো মানব বিজ্ঞানীর আগমন ঘটেনি। তাই সৃষ্টিকর্তার সকল পবিত্র ধর্ম বিজ্ঞান বর্তমান বিজ্ঞানের আগে আর মানব রচিত বর্তমান থিওরীগুলো পরে। তাই সর্ব শ্রেষ্ঠ খেতাব দিলে সেই সৃষ্টিকর্তা কে দিতে হবে ও তার প্রেরিত বার্তা বাহক কে বর্তমান বিজ্ঞানীদের জনক হিসেবে আখ্যায়িত করতে হবে। ধর্ম দর্শন ও বিজ্ঞান দর্শনের মাঝে যদি সমন্নয় না থাকে তাহলে কখনই পরিপুর্ন মতবাদ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব নয়, তবে সঠিক ধর্ম দর্শন হতে হবে। ধর্মকে বিজ্ঞান দিয়ে আর বিজ্ঞান কে ধর্ম দিয়ে যাচাই বাছাই করে নিতে হবে। ধর্ম ও ধর্মীয় বিজ্ঞানের আশির্বাদের পর মানুষ ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ ও গবেষণা করে আজকের উৎকৃষ্ট সভ্যতা ও বিজ্ঞানের যে জয়রথ তার মুলে স্রষ্টা, তার নাযিলকৃত বিজ্ঞান ও তার প্রেরিত বার্তাবাহক, তাদের এই তিনের সমন্নয়ের বহিঃপ্রকাশ বিজ্ঞান। তাই আমি ধর্ম দর্শন দিয়ে বিজ্ঞান দর্শন পেতে চাই। ইহার ভিতরেই স্থায়িত্ব বিরাজমান। এটাই আমার থিওরীর মূল কথা। কাউকে অতিক্রম নয় ব্যতিক্রম কিছু দরকার, তবে অবশ্যই বিজ্ঞান সম্মত হতে হবে। ধর্ম দর্শন ও বিজ্ঞান দর্শনের আভিধানিক ও প্রতিশব্দ মূলতঃ একই। ধর্ম (তথা বিজ্ঞান) ছাড়া সকল কিছুই মিছে ও অন্ধকারে হাবুডুবু খাওয়ার মতোই । যাহা জ্যোতির উপর জ্যোতি……………..।
সেপারেশন এন্ড কেটাক্লাইজম থিওরী
