ষ্টাফ রিপোর্টার, ২৩ সেপ্টেম্বর,২০২০(বিবিনিউজ):ভারত-বাংলাদেশের বন্ধুত্ব সম্পর্ক অটুট রয়েছে আগামীতেও থাকবে বলেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাই কমিশনার রীভা গাঙ্গুলী দাশ। এসময় আবেগাপ্লুত হয়ে তিনি বলেন, দোহারে গান্ধীজি আশ্রম রয়েছে জানতে পেরে এখানে অনেক আগেই আসার ইচ্ছা পোষন করেছি। আজ বিদায় বেলায় আসতে পেরে ভীষণ খুশি আমি। তিনি বলেন, গান্ধীজি অভয়াশ্রমের জায়গাকে এমন কাজে লাগান যাতে ভবিষ্যত প্রজন্ম গান্ধীজিকে জানতে পারে, তার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে সত্য সুন্দর ন্যায়ের পথে চলতে পারে।
বুধবার দুপুরে ঢাকার দোহারের মধুরচর এলাকায় গান্ধীজি অভয়াশ্রম পরির্দশনে এসে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, ভারত বাংলাদেশের যুদ্ধকালীন সময়ের বন্ধু তাই বাংলাদেশের সাথে সম্পর্ক অটুট রয়েছে, আগামীতে এই সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে। এসময় বঙ্গবন্ধু ও গান্ধীজির ইতিহাস ধরে রাখতে ঢাকা-১ আসনের সাংসদ প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারী শিল্পখাত ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ.রহমানের প্রস্তাবনা (জিএমআইটি) গান্ধী-মুজিব ইনষ্টিটিউশন অব টেকনোলজি (প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়) উপস্থাপন করা হয়। এসময় বিদায়ী রাষ্ট্রদুত এ প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠা করতে ভারত সরকার থেকে সব ধরনের সহযোগীতা করা হবে বলে তিনি জানান।
অনুষ্ঠান শেষে গান্ধিজী অভয়াশ্রমে গাছের চারা রোপণ করেন ভারতীয় হাই কমিশনার ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
গান্ধী আশ্রমের বিবরণে জানা যায়, ১৯৩৭ সালে ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন বেগবান করতে তৎকালিন অভিভক্ত বাংলার তিন বারের মুখ্য মন্ত্রী ডা: প্রফুল্যচন্দ্র মোহন ঘোষের আমন্ত্রনে দোহারের মধুরচর ও মালিকান্দা এলাকায় আগমন ঘটে মহত্মা গান্ধীর। এসময় ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল ও অভয়াশ্রম নির্মান করেন মহত্মা গান্ধী। তার প্রতি সম্মান জানাতে গান্ধিজী অভয়াশ্রম পরিদর্শনে আসেন সদ্য বিদায়ী ভারতীয় হাই কমিশনার।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রনালয়ের জননিরাত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মোস্তফা কামাল উদ্দিন, বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিচালক ড. বেনজির আহমেদ, ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি হাবিবুর রহমান, ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার মারুফ হোসেন সরদার, ঢাকা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান, বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহ সহ অনেকে।
ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্ক আগামীতেও অটুট থাকবে : রীভা গাঙ্গুলী দাশ
