বিআইডব্লিউটিসি’র ঈদ স্পেশাল সার্ভিস আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে শুরু

jahaj আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে স্পেশাল সার্ভিস শুরু করবে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি)। রাষ্ট্রীয় এই সংস্থার ঈদসেবা ১০ জুলাই পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে। মোট ৫টি জাহাজের মাধ্যমে এই বিশেষ সার্ভিস পরিচালনা করা হবে।

এছাড়া আগামী ৩ জুলাই ১৯টি লঞ্চের মাধ্যমে বেসরকারি লঞ্চ মালিকদের সংগঠন অভ্যন্তরীণ যাত্রী পরিবহন সংস্থা বিশেষ সার্ভিস শুরু করবে।
বরিশাল বিআইডব্লিউটিসি’র সহকারী মহাব্যবস্থাপক সৈয়দ আবুল কালাম আজাদ বাসস’কে জানান, এবার সংস্থার নিয়মিত ৫টি জাহাজ যাত্রী পারাপারে নিয়োজিত থাকবে। এগুলো হলো, পিএস মাহসুদ, অস্ট্রিচ, লেপচা, এমভি মধুমতি ও বাঙালী। এসব জাহাজ বরিশাল-ঢাকা-চাঁদপুর, ঝালকাঠী, হুলারহাট ও মোড়েলগঞ্জ রুটে চলাচল করবে। এর মধ্যে বৃহস্পতিবার ঢাকা ঘাট থেকে লেপচা সন্ধ্যা ৬টায় ও মধুমতি সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় যাত্রী নিয়ে ছেড়ে আসবে। মধুমতি যাবে মোড়েলগঞ্জ পর্যন্ত এবং লেপচা আসবে বরিশাল পর্যন্ত। আগামী ১০ জুলাই পর্যন্ত বিশেষ এই সেবা চলবে।
তিনি বলেন, ঘরমুখো যাত্রীদের ভোগান্তি লাঘবে জাহাজের ৫০ ভাগ টিকেট এবার অনলাইনে দেয়া হয়েছে। ভাড়া পূর্বের ন্যায় রাখা হয়েছে। এছাড়া আভ্যন্তরীণ নৌ-রুটে বিআইডব্লিউটিসি’র সি-ট্রাক খিজির-৮ ও খিজির-৫ নিয়মিত চলাচল করবে। ১০ জুলাই পর্যন্ত বিশেষ সার্ভিস চালু থাকার কথা থাকলেও যাত্রীদের চাপ বেশি থাকলে তা বাড়ানো হতে পারে।
অন্যদিকে বেসরকারি লঞ্চ মালিকদের সংগঠন অভ্যন্তরীণ যাত্রী পরিবহন সংস্থা আগামী ৩ জুলাই থেকে বরিশাল-ঢাকাসহ অভ্যন্তরীণ ২৮টি রুটে ঈদের বিশেষ লঞ্চ সার্ভিসের যাত্রীসেবা শুরু করবে। বরিশাল-ঢাকা নৌরুটে এবার দিবা সার্ভিস গ্রীনলাইন ওয়াটার ওয়েজের ২টি জাহাজসহ মোট ১৯টি লঞ্চ যাত্রী পরিবহন করবে। বিশেষ এই সেবা চলবে ঈদের আগে-পরে ৭দিন পর্যন্ত।
এদিকে ঈদে ঘরে ফেরা মানুষদের নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছে দিতে ব্যাপক নিরাপত্তামূলক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ। এগুলো হলো- পল্টুন ও গ্যাংওয়ে ব্যবহার উপযোগী রাখাসহ দুর্ঘটনা রোধে উদ্ধারকারী জাহাজ নির্ভীক ও টাগ স্ট্যান্ডবাই রাখা। নৌপথে পর্যাপ্ত বয়া-বিকনবাতি স্থাপন। অজ্ঞান ও মলম পার্টির তৎপরতা রোধে আইন-শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী তৎপর থাকবে বন্দর এলাকায়। ভিআইপি যাত্রীদের জন্য অপেক্ষা না করে যাত্রী বোঝাই হওয়ার সাথে সাথে লঞ্চগুলোকে ঘাট ত্যাগ করতে হবে। ১ থেকে ১৪ জুলাই পর্যন্ত নৌবন্দরে মেডিকেল টিম, ফায়ার সার্ভিস এবং সিভিল ডিফেন্সের ডুবুরি দলের একটি টিম সার্বক্ষণিক উপস্থিত থাকবে। এছাড়া রাতের বেলায় বরিশাল-ঢাকা নৌপথে মালবাহী কার্গো ও বালুবাহী বাল্কহেড চলাচল নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

Related posts

Leave a Comment