বিমানের দ্বিতীয় ড্রিমলাইনার এসে পৌঁছলো

bemanবিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহরে যুক্ত হলো বিশ্বের সর্বাধুনিক প্রযুক্তি সম্বলিত সম্পূর্ণ নতুন দ্বিতীয় বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনার উড়োজাহাজ ‘হংস বলাকা’। ড্রিমলাইনার নামে পরিচিত এই বোয়িং গত রাতে এখানে এসে পৌঁছেছে। ১৫তম বিমান হিসেবে এটি জাতীয় পতাকাবাহী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহরে যোগ হল।
এর আগে গত ১৯ আগস্ট বিমানের প্রথম ড্রিমলাইনার ‘আকাশবীণা’ ঢাকায় আসে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১ সেপ্টেম্বর বিমানটি উদ্বোধন করেন।
বিমানের জনসংযোগ শাখার মহাব্যবস্থাপক শাকিল মেরাজ আজ বাসসকে জানান, ‘হংস বলাকা নামের নতুন বিমানটি স্থানীয় সময় রাত ১১টা ৪০ মিনিটে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের সিয়াটল বোইং ফ্যাক্টরি থেকে বিমানটি টানা ১৫ ঘন্টার উড্ডয়ন শেষে বাংলাদেশে পৌঁছেছে।’
এর আগে ২৯ নভেম্বর বিমান নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান বোয়িং কর্তৃপক্ষ সিয়াটলে বিমানের ডাইরেক্টর ফ্লাইট অপারেশন ক্যাপ্টেন ফরহাত হাসান জামিলের কাছে নতুন এই বিমানটির মালিকানা হস্তান্তর করে।
ড্রিমলাইনার বিমানটি ঢাকা থেকে লন্ডন, দাম্মাম ও ব্যাংকক রুটে চলাচল করবে।
বিমান বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এএম মোসাদ্দিক আহমেদ বলেন, ১০ ডিসেম্বর থেকে বিমানটি দিয়ে সপ্তাহে ঢাকা-লন্ডন রুটে ছয়টি ফ্লাইট, ঢাকা-দাম্মাম রুটে চারটি ফ্লাইট ও ঢাকা-ব্যাংকক রুটে তিনটি ফ্লাইট পরিচালনা করা হবে।
৭৮৭-৮ বোইংয়ে ২৭১টি আসন রয়েছে। এটি অন্যান্য বিমানের চেয়ে ২০ শতাংশ জ্বালানী সাশ্রয়ী। বিমানটি ঘন্টায় ৬৫০ মাইল বেগে একটানা ১৬ ঘন্টা চলতে সক্ষম।
এর যাত্রীরা সর্বোচ্চ ৪৩ হাজার ফুট উঁচুতে ওয়াইফাই সেবা পাবেন। এতে করে যাত্রীরা বিমানে বসেই ইন্টারনেট ব্যবহার করতে এবং বিশ্বের যে কোন প্রান্তে তাদের বন্ধুবান্ধব ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন।
২০০৮ সালে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স নতুন ১০টি বিমান কেনার জন্য বিমান নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের সঙ্গে ২১০ কোটি মার্কিন ডলারের একটি চুক্তি স্বাক্ষর করে।
বোইং ইতোমধ্যেই ছয়টি ৭৭৭-৩০০ইআর ও দুটি ৭৩৭-৮০০ ও একটি ড্রিমলাইনার বিমানের কাছে হস্তান্তর করেছে।

Related posts

Leave a Comment