ডেস্ক রিপোর্ট: গাইবান্ধা ১ আসনের সংসদ সদস্য মঞ্জুরুল ইসলাম লিটনকে হত্যার ঘটনাটি সন্ত্রাসের নতুন অধ্যায় বলে মনে করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। তিনি বলেন, এটি সন্ত্রাসীদের নতুন ডাইমেনশন কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
হঠাৎ করে এ ধরনের সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা সন্ত্রাসীদের নতুন অধ্যায় হতে পারে। এর আগেও আমরা সন্ত্রাসীদের কঠিন হাতে দমন করেছি। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী এ বিষয়ে আমরা জিরো টলারেন্স নীতিতে আছি। রবিবার মন্ত্রণালয়ে নিজ কক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, সন্ত্রাসীদের কঠিন হাতে দমন করা হবে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। জড়িত সন্দেহে ১৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আরো গ্রেপ্তার করা হবে। তথ্য উদঘাটনের কাজ করছে গোয়েন্দা বাহিনীগুলো। সন্ত্রাসীদের অচিরেই ধরে ফেলব। আসল অপরাধী ধরা পরবে। দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভেঙে পরেছে কিনা, প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রশ্নই আসে না। গোয়েন্দা বাহিনী এ বিষয় নিয়ে কাজ করছে। তাদের প্রতি আমাদের বিশ্বাস আছে। এটি সন্ত্রাসীদের কৌশল হতে পারে। কারণ এ ধরনের ঘটনা গত সাত-আট বছরেও হয়নি। এটি প্রথম। সবকিছু সামনে রেখে কাজ করছি। পুলিশ অনেক ভালো কাজ করছে।
তিনি আরো বলেন, কারও ভবিষ্যদ্বাণীতে আমাদের কিছুই যায় আসে না। আমাদের গোয়েন্দারা কী তথ্য দিচ্ছে সেটিই বড় বিষয়। এ ঘটনা সরকারের জন্য হুমকি কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সরকারের ওপর কোনো হুমকি নেই। পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার চেষ্টা আগেও করা হয়েছে। আমরা সব কিছুই মাথায় রেখে কাজ করেছি। একজন এমপিকে বাসায় ঢুকে মেরে ফেলার ঘটনা আইনশৃঙ্খলা রক্ষার ক্ষেত্রে ব্যর্থতা প্রমাণ করেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটা ব্যর্থতা না। তিনি অত্যন্ত দরদী মানুষ ছিলেন। মানুষের সঙ্গে, জনগণের সঙ্গে মিলে মিশে কাজ করেছেন। সে কারণেই সন্ত্রাসীরা এ সুযোগটা নিয়েছে।
এ ঘটনায় সরকার উদ্বিগ্ন কিনা- জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা মোটেও উদ্বিগ্ন নয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যথেষ্ট পারদর্শী। তাদের ওপর আমাদের বিশ্বাস আছে। স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জেলা প্রশাসকদের সতর্কতার সঙ্গে চলাচলের নির্দেশ দেবেন কিনা- জানতে চাইলে তিনি বলেন, সবাই নিজের এলাকায় সতর্কতার সঙ্গে চলাচল করবে এটাই স্বাভাবিক। আগেই তাদের এ নির্দেশনা দেওয়া আছে। তবে সব কিছু খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, ঘটনার এলাকার মোবাইল টাওয়ার অবজারভেশনে রাখা হয়েছে। কার সঙ্গে কার কথা হয়েছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অবিলম্বে এ ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটন করা হবে।
মিতু/বিবি নিউজ/৮৬৬
