শতভাগ শিশু ইপিআই কার্যক্রমের আওতায় আসবে : ডিএসসিসি মেয়র তাপস

৮ নভেম্বর, ২০২০ (বিবিনিউজ) : ডিএসসিসি এলাকায় শতভাগ শিশুকে আগামী এক বছরের মধ্যে সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির (ইপিআই) আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস।
আজ নগর ভবনের মেয়র হানিফ অডিটোরিয়ামে ডিএসসিসির নবগঠিত ৫ অঞ্চলের ১৮টি ওয়ার্ডসহ পুরনো ৫৫, ৫৬ ও ৫৭ নম্বর ওয়ার্ডে সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির (ইপিআই) আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনকালে মেয়র এ ঘোষণা দেন।
নব গঠিত ১৮ ওয়ার্ডে নগর স্বাস্থ্য কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে উল্লেখ করে ব্যারিস্টার শেখ তাপস বলেন, নতুন ১৮টি ওয়ার্ডের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ইতোমধ্যে একটি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়াও পুরনো ওয়ার্ডগুলোতে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা জোরদার করার লক্ষ্যে একটি সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে এ নগরের প্রতিটি নাগরিকের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা হবে।
স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা কর্পোরেশনের গুরু দায়িত্ব উল্লেখ করে ডিএসসিসি মেয়র বলেন, ‘এই গুরু দায়িত্ব পালনে দৃঢ় প্রত্যয়, দৃঢ় সংকল্প আমাদের রয়েছে। আজকের এই আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের মাধ্যমে আজ থেকে এই কার্যক্রমের নব সূচনা শুরু করব। ইনশাআল্লাহ আগামী এক বছরের মধ্যে দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকার একশত ভাগ সন্তানকে ইপিআই কার্যক্রমের আওতায় নিয়ে আসব।’
সুস্থ-সবল জাতি গঠনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যুগান্তকারী পদক্ষেপের কারণে বাংলাদেশ পোলিও রোগ মুক্ত হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, একটি সুস্থ জাতি গঠনের মূলে থাকে সে জাতির স্বাস্থ্য সুরক্ষা। কিন্তু সুস্থ, সবল জাতি গঠনের অন্তরায় হলো রোগ-বালাই। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যুগান্তকারী পদক্ষেপের ফলে দেশ পোলিও রোগ মুক্ত হয়েছে, দেশের ৭৫ শতাংশ নানা ধরণের রোগ কমে এসেছে। সরকারের দৃঢ় পদক্ষেপের ফলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভ্যাকসিন হিরোর উপাধি পেয়েছেন।
অনুষ্ঠানে কাউন্সিলরদের উদ্দেশ্যে মেয়র বলেন, অনেকেই হয়তো জানেন না কোথায় টিকা দেয়া হয়, এজন্য প্রতিটি নাগরিকের বাসায় আপনারা যান। তাদেরকে নির্দিষ্ট টিকাদান কেন্দ্রে পাঠাতে উৎসাহিত করুন, যাতে আমাদের কোনো সন্তান এ কর্মসূচির বাইরে না থাকে।
কর্পোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা বিগ্রেডিয়ার জেনারেল ডা. শরীফ আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে এমএনসিএন্ডএইচ’র লাইন ডাইরেক্টর ডা. মো. শামসুল হক, বাংলাদেশে ইউনিসেফের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মায়া ভেন্ডেনান্ট, বাংলাদেশে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ইমিউনাইজেশন সিস্টেম স্ট্র্যানদ্যানিংয়ের মেডিকেল অফিসার ডা. বালিন্দর সিং চাওলা বক্তব্য রাখেন।

Related posts

Leave a Comment