আশুলিয়ার নাইটিংগেল মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, ভাংচুর ও পুলিশের সাথে সংঘর্ষ, ওসিসহ আহত ২০।

ashulia_medical_nitinggelষ্টাফ রিপোর্টারঃবিবিনিউজসার্ভিস,১৪ ॥সরকারি সিদ্ধান্ধে সাভারের আশুলিয়ার নাইটিংগেল মেডিকেল কলেজের কার্যক্রম বন্ধের প্রতিবাদকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ,অবস্থান ধর্মঘট,ক্যাম্পাসে ভাংচুর ও মহাসড়ক অবরোধের চেষ্টাকালে পুলিশের সাথে সংঘর্ষ,ধাওযা পাল্টা ধাওয়া পুলিশসহ আহত অন্তত ২০। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে পুলিশের রাবার বোলেট ও টিয়ারসেল নিক্ষেপ । পুলিশ সাঁড়াশী অভিযান চালিয়ে বের করে দিয়েছে সকল শিার্থীকে। একদিন পর উদ্ধার করেছে অবরুদ্ধ করে রাখা প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক হুমায়ুন জামান চৌধুরীকে।
মেডিকেল কলেজ পরিচালনার নীতিমালা ভঙ্গ করায় গত রোববার আশুলিয়ার নাইটিংগেল মেডিকেল কলেজসহ দেশের তিনটি মেডিকেল শিা প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধের নির্দেশ দেয় স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়।
আর এ সিদ্ধান্তে সবচাইতে বেশি বিপাকে পড়েন ভিনদেশ,বিশেষ করে ভারত ও নেপাল থেকে পড়ে আসা শিার্থী। ক্যাম্পাস খালি করে দেয়ায় এখন তারা কোথায় যাবে। তাদের নিরাপত্তাই বা কি এসব প্রশ্ন নিয়েই ুব্দ ভিনদেশি শিার্থীরা।
শিার্থীরা অভিযোগ করে আসছিলেন হাসপাতালে ইনডোর বা আউটডোর কোন রোগী নেই। সরকারী কোন মন্ত্রনালয় থেকে কোন কর্মকর্তা আসলে ভাড়া করে রোগী আনা হয়। আমাদের শিা জীবন যাতে নষ্ট না হয় তাই সরকারের কাছে সমাধান চাই”। এর মাঝে সরকার মেডিকেল কলেজটির কার্যক্রম সাময়িক বন্ধের সিদ্ধান্ত নিলে বিােভে নামে শিার্থীরা।
সোমবার প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক হুমায়ুন জামান চৌধুরী এ ব্যাপারে শিার্থীদের সাথে আলোচনার জন্যে ক্যাস্পাসে গেলে নিজেদের শিা জীবনের সাথে প্রতারনার অভিযোগ এনে তাকে অবরুদ্ধ করে শিার্থীরা।
রাতভর টান টান উত্তেজনা ও বিােভের মধ্যে ভোর পাঁচ টার দিকে পুলিশ সাড়াঁসী অভিযানে নামলে সংঘর্ষ বেঁধে যায় শিার্থীদের সাথে। এতে  শিার্থী পুলিশসহ আহত হয় ২০ জন। ুব্ধ শিার্থীরা এ সময় ব্যাপক ভাংচুর চালায় কলেজটিতে। অভিযানে আন্দোলনে থাকা সকল শিার্থীকে বের করে দিয়ে খালি করে দেয়া হয় ক্যাম্পাস।
এ ব্যাপারে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক হুমায়ুন জামান চৌধুরী জানান, এখনো মন্ত্রানালয়ের কোন লিখিত নির্দেশনা এখনো পাইনি। তবে কী সমস্যার কারণে এধরনের নির্দেশনা দেয়া হলো বিষয়টি আমরা দেখে দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করবো।
এছাড়া কয়েকজন ভারতীয় ও নেপালী শিার্থীরা তাদের পাসপোর্ট ফেরত না পাওয়ার অভিযোগ তুলেন ধরেন ও এ বিষয়ে তাদের সংশ্রিষ্ট হাইকমিশনের সহযোগীতা চান। সংঘর্ষ ও ভাংচুরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আশুলিয়া থানার ওসি মহসীন কাদির।
বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক। যেকোন অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে নাইটিংগেল কলেজের সামনে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে ।

Related posts

Leave a Comment