স্টাফ রিপোর্টার,২৯ জুলাই,২০২১(বিবিনিউজ ):সাভারে একটি ফুট ওভার ব্রীজ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। দীর্ঘদিন ধরে সঠিক তদারকি ও মেরামত না করায় ব্রীজের অসংখ্য পাঠাতনে ফাটল দেখা দেওয়ায় বড় ধরণের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করেছে স্থানীয়রা। ফলে নিরাপত্তা ঝুঁকি নিয়েই প্রতিদিন এই ব্রীজটি দিয়ে পার হচ্ছেন অসংখ্য মানুষ।
জানা যায়,দুই বছর আগে মানুষ পারাপার হওয়ার জন্য ঢাকা আরিচা মহাসড়কের সাভার বাজার বাসষ্ট্যান্ড এলাকায় দ্বিতীয় ফুট ওভার ব্রীজ নির্মাণ করেন সড়ক ও জনপথ বিভাগ (সওজ)। কিন্তু ব্রীজটি গত কয়েকদিনে সিড়ির পাঠাতনসহ বিভিন্ন স্থানে ফাটল দেখা দেয় ও কিছু পাঠাতন ভেঙ্গে পড়ে যায়। এতে করে ঝুঁকি নিয়েই প্রতিদিন মানুষ পারাপার হচ্ছে। যেকোন সময় ফুট ওভার ব্রীজটি ভেঙ্গে পড়ে বড় ধরণের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করেছে স্থানীয়রা। মানুষ নিরাপদে পারাপারের জন্য ফুট ওভার ব্রীজটি থাকলেও রক্ষণাবেক্ষণ না করায় চরম ঝুঁকিতে থাকলেও সড়ক ও জনপথ বিভাগ (সওজ) কতৃপক্ষকে মেরামত করতে দেখা যায়নি। এদিকে ঢাকা আরিচা মহাসড়কের সাভার বাজার বাসষ্ট্যান্ড, হেমায়েতপুর,আমিনবাজার, রেডিওকলোনী, বিশমাইল, জাহাঙ্গীরনগর ডেইরি গেট, প্রান্তিক গেট ও নবীনগর এলাকায় তিনটিসহ মোট ১১ টি ফুট ওভার ব্রীজে প্রতিদিনই ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। পথেঘাটে এভাবেই প্রতিনিয়ত সর্বস্ব হারাচ্ছেন অসহায় পথচারীরা। ফুট ওভার ব্রীজ গুলোর আরেকটি অন্যতম সমস্যা নারীদের হয়রানি। প্রায়ই নারীরা ফুট ওভার ব্রীজগুলোতে যৌন হয়রানির শিকার হন। রাতের বেলা যখন লোকজনের আনাগোনা কমে যায়, তখন ইভ টিজারদের দৌরাত্ম্য বেড়ে যায়। কারণ,ফুট ওভার ব্রীজগুলোতে অবস্থানকারী ভাসমান মানুষ ও হকার থাকে। প্রথমেই তাদের শনাক্ত করা যায় না। কিন্তু এদের বেশিরভাগই নানা মাদকদ্রব্যে অভ্যস্ত। ফলে মাদকের টাকা জোগাড়ের জন্য তাদের লক্ষ্যই থাকে পথচারী। তাই ফুট ওভার ব্রীজ থেকে অবৈধ হকার, ভাসমান ও ছিন্নমূল মানুষ এবং মাদকসেবীদের অপসারণ করা জরুরি হয়ে পড়েছে। ফুট ওভার ব্রীজের বেশিরভাগই রাতে বাতি থাকে না। ফলে এগুলো অন্ধকারে নিমজ্জিত থাকে। তাই প্রতিটি ফুট ওভার ব্রীজে পথচারী নিরাপত্তায় পর্যাপ্ত আলো কিংবা সিসিটিভি ক্যামেরার ব্যবস্থা করা উচিত বলে জানান তারা।
এবিষয়ে সাভার ট্রাফিক পুলিশের ইনচার্য (টিআই) আব্দুস সালাম বলেন,ফুট ওভার ব্রীজটি মেরামত ও পথচারীদের জন্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হবে দ্রুত।
সাভারে ফুট ওভার ব্রীজে ফাটল, বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা
