
১৪ আগষ্ট ২০২০(বিবিনিউজ):আশুলিয়ার জিরাবোতে বিষক্রিয়ায় একটি খামারের কোটি টাকার মাছ নিধনের অভিযোগ করেছে খামার মালিকরা । তবে পানিতে বিষক্রিয়া নয়, খাবারে বিষক্রিয়ার মাছ মারা গেছে-ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এমন ধারনা দিলেন মৎস্য কর্মকর্তা। এছাড়া এসব মাছ খাওয়া থেকে বিরত থাকা ও মাটি পুতে ফেলার পরামর্শ দেয়া হয়।
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সকালে আশুলিয়ার জিরাবো এলাকার দেওয়ান ইদ্রিস আলী স্কুল অ্যান্ড কলেজ সংলগ্ন এলাকার প্রান প্রকৃতি এগ্রো মাছের খামারে এঘটনা ঘটে।
খামার মালিক শরিফুল ও শহিদুল ইসলাম দুই ভাই জানান, প্রায় ৪০ বিঘা জায়গা জুড়ে দীর্ঘদিন মাছ চাষ করে আসছি। গতকাল ১৩ আগস্ট হঠাৎ মাছ পানিতে ভেসে বেড়াতে শুরু করে। এসময় ৩০ থেকে ৪০ জন লোক নিয়ে কয়েকশ মণ মাছ মরে পানিতে ভেসে ওঠে। ষড়যন্ত্রমুলকভাবে র্দুবৃত্তরা এই কাজ করেছে।
তবে মৎস্য কর্মকর্তা জানান, প্রাথমিকভাবে পানিতে বিষক্রিয়ার লক্ষণ পাওয়া যায়নি। তবে খাবারের বিষক্রিয়ায় মাছ মারা যাওয়ার লক্ষণ দেখা গেছে। প্রাথমিকভাবে দেখা যায়, যেহেতু পানিতে এমোনিয়া গ্যাস ও পিএইচ বা পানির ক্ষারীয় বেড়ে গেছে । ফলে অক্সিজেন কমে গিয়ে মাছ মারা গেছে। মাছের খাবারের সঙ্গে বিষ মেশানো বা অনেক সময় দীর্ঘদিন ধরে খাবার পানির নীচে জমে গিয়ে বিষাক্ত এমোনিয়া গ্যাস তৈরি হয়ে পিএইচ বা পানির ক্ষারীয় বৃদ্ধি পেয়ে অক্সিজেন কমিয়ে ফেলে। ফলে মাছ অক্সিজেনের অভাবে মাছ মারা যেতে থাকে। তবে মাছের ল্যাব পরীক্ষার পরই বিষয়গুলো আরও নিশ্চিত হওয়া যাবে।
তিনি আরও জানান, এই খামারে প্রায় ৩০০ মণ মাছ মারা গেছে। যার বাজার মূল্য আনুমানিক কোটি টাকা। যেসব মাছ মারা গেছে সেগুলো অবশ্যই মাটিতে পুতে ফেলতে হবে। এছাড়া এই মাছ কোন ভাবেই খাওয়া যাবে না। যতি বিষক্রিয়া হয়ে থাকে তাহলে মানুষ কেলেও তার শরীরে বিষক্রিয়ার সম্ভবনা থাকবে।
