জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে দ্বিতীয় দিনের মতো প্রশাসনিক ভবন অবরোধ

জাবি রিপোর্টার : জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৪৪৫ কোটি টাকার অধিকতর উন্নয়ন প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগের বিচার বিভাগীয় তদন্তসহ তিন দফা দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মতো বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন অবরোধ করছে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের একাংশ।টানা দ্বিতীয় দিনের অবরোধের ফলে ক্লাস-পরীক্ষা চললেও প্রশাসনিক কার্যক্রমে স্থবিরতা চলছে।
এবার বিশ্ববিদ্যালয়ে গাছ কেটে পাঁচটি আবাসিক হল নির্মাণ করা হচ্ছে। তাই বিশ্ববদ্যিালয়য়ে চলমান মেগো প্রকল্পের মাস্টার প্ল্যান অস্বচ্ছ ও অর্পূণাঙ্গ বলে দাবি করে আন্দোলন করে আসছনে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের একাংশ। তাদের তিন তফা দাবি হলো, রবীন্দনাথ হলকে ঘীরে তিনটি অপরিকল্পিত ভাবে বহুতল ভবন নির্মাণ বন্ধ রেখে অন্য স্থানে স্থান্তর করতে হবে, লুটপাট ও দুর্নীতির বিচার বিভাগীয় তদন্ত করতে হবে,ও সকল অংশীজন বিশেষজ্ঞদের মতামত নিয়ে মাষ্টারপ্লান পূনর্বীন্যাস করতে হবে।
বুধবার সকাল আটটার দিকে দুর্নীতির বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগরের ব্যানারে বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ও পুরাতন প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে অবরোধ শুরু করেন তারা।
এদিকে অবরোধ চলাকালে দুই ধাপে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ উপাচার্য অধ্যাপক নুরুল আলম, অধ্যাপক আমির হোসেন, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক শেখ মনজুরুল হক, ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর আ স ম ফিরোজ উল হাসান ও প্রক্টররিয়াল বডির অন্যান্য সদস্যরা আন্দোলনরতদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় তারা কোনো যৌক্তিক সমাধানে পৌঁছাতে না পেরে ফিরে যান।
এরপর আবারও আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলার জন্য আসেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক শেখ মনজুরুল হক, ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর আ স ম ফিরোজ উল হাসান ও প্রক্টররিয়াল বডির অন্যান্য সদস্যরা।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানান,প্রশাসন অফিসিয়ালি আলোচনায় বসার কোনো প্রস্তাব দেননি আমাদের। আমাদের তিন দফা দাবি সুস্পষ্ট। প্রশাসন তাদের দুর্নীতির সাথে সম্পৃক্ততার বিষয়টি পরিষ্কার না করে বরং ছলচাতুরীর আশ্রয় নিচ্ছে। দাবি মানা না পর্যন্ত আন্দোলন চলবে বলেও জানান আন্দোলনরত শিক্ষাথী ।
এবিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য প্রফেসর ড.ফারজানা ইসলাম বলেছেন চলমান সঙ্কট আলোচনার মাধ্যমে সমাধান হতে পারে। আমরা আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সাথে আলোচনায় বসতে প্রস্তুত।
দ্রুত এ সমাস্যা সমাধান হওয়া বিশেষ প্রয়োজন বলে মনে করেন সাধারস শিক্ষার্থীরা ।

Related posts

Leave a Comment