ডেস্ক রিপোর্ট: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণা অনুযায়ী বিশ্বের সকল মানুষের মানবাধিকার ও মৌলিক স্বাধীনতা সমুন্নত রাখতে বাংলাদেশের দ্বার্থহীন অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন।
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে শুক্রবার এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের সংবিধান ও নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী তাঁর সরকার প্রতিটি নাগরিকের মানবাধিকার ও মৌলিক স্বাধীনতা সমুন্নত রাখতে গত সাড়ে সাত বছর নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, ‘আমাদের ভিশন ২০২১ ও ভিশন ২০৪১ বাস্তবায়নে আমরা দারিদ্র্য, ক্ষুধা, রোগ-ব্যাধি ও নিরক্ষরতা দূরীকরণে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এসব সমস্যার কারণেই মানবাধিকার ও মর্যাদা লংঘিত হয় এবং কতিপয় লোক মানবাধিকার ও সামাজিক ন্যায় বিচারের পরিপূর্ণ উপভোগে বাধা সৃষ্টি করতে পারে।
শেখ হাসিনা বলেন, ‘তাঁর সরকার নারী ও শিশুর বিরুদ্ধে যেকোন ধরনের সহিংসতা মোকাবেলায় সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার প্রদান এবং এ ধরনের সহিংসতাকারী অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনার বিষয় নিশ্চিত করেছে।
তিনি আরো বলেন, ‘আমরা আমাদের আগামী প্রজন্মের জন্য একটি প্রকৃত নিরাপদ, সুরক্ষিত ও টেকসই সমাজ গড়তে চাই’।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনগণের নিরঙ্কুশ সমর্থন নিয়ে তাঁর সরকার ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধকালে সংঘটিত মানবতার বিরুদ্ধে নৃশংস অপরাধ ও গণহত্যার বিচার নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেছে।
তিনি আরো বলেন, ‘অনুরূপ চেতনা নিয়ে আমরা এই মানবাধিকার দিবসে বিশ্বের যেকোন স্থানের জনগণের শান্তি, ন্যায়বিচার, স্বাধীনতা ও মানবাধিকারের যথার্থ সংগ্রামের প্রতি সমর্থন অব্যাহত রাখার আমাদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করছি।’
মিতু/বিবি নিউজ/৪৭৭
