দিয়া ইসলাম : দীর্ঘ ১৯ বছর পরে আজ ৩০ ডিসেম্বর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে উৎসব মুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে সিনেটে রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েট প্রতিনিধি নির্বাচন। সকাল ৯ টা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত বিশ^বিদ্যালয়ের সমাজ বিজ্ঞান অনুষদ ও নতুন কলা ভবনে ভোট গ্রহন অনুষ্ঠিত হয়। ভোট গ্রহন শেষে এখন চলছে গণনা । তার পরে বিজয়ীদের নাম ঘোষনা করা হবে।
নির্বাচনে ২৫টি পদের জন্য চুড়ান্তভাবে ১১৯ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ৪৩৭৩ জন ভোটার তাদের পছন্দের প্রার্থীদের ভোট দিয়েছেন।
নির্বাচনে মোট তিনটি প্যানেলে আওয়ামীপন্থি গ্র্যাজুয়েটরা দুটি ও বিএনপিপন্থি গ্র্যাজুয়েটরা একটি প্যানেলে একাট্টা হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। প্রত্যেক প্যানেলের নেতৃত্বে রয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন দলীয় মতাদর্শে বিশ্বাসী শিক্ষকরা। যদিও এক প্যানেল থেকে সমঝোতার মাধ্যমে নির্বাচন করার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন আওয়ামীপন্থি গ্র্যাজুয়েটরা। এ ছাড়া ৪৪ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছে। বিএনপিপন্থি গ্র্যাজুয়েটরা ‘স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, বহুদলীয় গণতন্ত্র ও বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসী’ নামে একটি প্যানেল গঠন করেছেন, যার নেতৃত্বে রয়েছেন সরকার ও রাজনীতি বিভাগের অধ্যাপক শামছুল আলম সেলিম। অন্যদিকে আওয়ামীপন্থি গ্র্যাজুয়েটরা দুভাগে বিভক্ত হয়ে ‘বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী প্রগতিশীল জোট গঠন করেছে, যার নেতৃত্বে রয়েছেন সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক শরীফ এনামুল কবীর। এ ছাড়া সাবেক ছাত্রলীগ নেতাদের নিয়ে গঠিত হয় ‘বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও প্রগতিশীল গ্র্যাজুয়েট মঞ্চ, যার নেতৃত্বে রয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের অধ্যাপক এমএ মতিন, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবদুল মান্নান চৌধুরী ও জাবি ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শফিকুল আলম।
এবিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ ও রিটার্নিং কর্মকর্তা অধ্যাপক শেখ মো. মনজুরুল হক বলেন নির্বাচন সুষ্ঠ ও সুন্দর পরিবেশে ভোট গ্রহন শেষ হয়েছে।
এদিকে এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন ছিলো।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েট প্রতিনিধি নির্বাচন
