খাদ্যমন্ত্রী এডভোকেট কামরুল ইসলাম বলেছেন, গুপ্তহত্যার মূল পরিকল্পনাকারী ও অর্থের যোগানদাতা বিএনপি-জামায়াত।
তিনি বলেন, জামায়াত এবং বিএনপির ছাত্র সংগঠন এর সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত। এসব ঘটনায় যারাই গ্রেপ্তার হচ্ছে, দেখা যাচ্ছে তারা এক সময় জামায়াত-শিবিরের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিল।
তিনি আজ শনিবার দুপুরে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্থ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ঢাকা মহানগর ১৪ দলের সমন্বয় কমিটির সভায় এ কথা বলেন।
বিএনপি-জামায়াত জোটের গুপ্তহত্যার প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় ১৪ দল ঘোষিত মানবন্ধন কর্মসূচি সফল করার লক্ষে এই সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আগামীকাল রাজধানীর গাবতলী থেকে যাত্রাবাড়ী পর্যন্ত বিকেল ৩ টা থেকে ৪ পর্যন্ত এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হবে।
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদের সভাপতিত্বে সভায় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনি, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এস এম কামাল হোসেন, ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাদেক খান, গণতন্ত্রী পার্টির সাধারণ সম্পাদক ড. শাহদৎ হোসেন, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের সহসভাপতি মীর হোসাইন আখতার, ওয়ার্কার্স পার্টির পলিটব্যুারো সদস্য হাজেরা সুলতানা প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
কামরুল ইসলাম বলেন, গুপ্তহত্যার পেছনে কারা প্রত্যক্ষ মদদদাতা, কোন কোন নেতারা অর্থের যোগানদাতা -এই তথ্য গোয়েন্দা সংস্থার কাছে আছে। শিগগিরই তা প্রকাশ করা হবে।
তিনি বলেন, আগুন সন্ত্রাসের সময় তাদের প্রতিক্রিয়া ছিল না। বলা হয়েছিল-গণতন্ত্রের অনুপস্থিতির কারণে আগুন সন্ত্রাস শুরু হয়েছে। এখনো যখন গুপ্তহত্যা চলছে তখন বিএনপি নেতা মির্জা ফখরুল ও মওদুদ সাহেব বলছেন গণতন্ত্র অনুপস্থিত বলে এই অবস্থা চলছে। গুপ্তহত্যার ব্যাপারে তাদের কোনো প্রতিক্রিয়াই নাই। নিন্দাও নাই।
