সাভারের বিরুলিয়ায় মমতাজ বেগম নামের এক বাক প্রতিবন্ধি তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে এক আদম ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে। এঘটনায় ধর্ষিতার পরিবার সাভার মডেল থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করলে পুলিশি গ্রেপ্তারের ভয়ে সুরুজ গাজী নামের ওই আদম ব্যবসায়ী গা ঢাকা দিয়েছে। বাক প্রতিবন্ধি তরুণীকে ধর্ষণের ঘটনায় ওই এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।
এলাকাবাসী জানায় সাভারের বিরুলিয়া ইউনিয়নের ওয়ালীয়া গ্রামের আদম ব্যবসায়ী সুরুজ মাঝি বিয়ের প্রভোলন দেখিয়ে গত কয়েক মাস ধরে একই এলাকার আব্দুর রহিম গাজীর বাক প্রতিবন্ধি মেয়ে মমতাজকে কৌশলে নিজ বাড়িতে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করেন। পরে গত কয়েকদিন আগে আবারও ওই তরুণীকে নিজ বাড়িতে নিয়ে হাত পা বেধে ধর্ষণ করার চেষ্টা করেন ওই আদম ব্যবসায়ী। এ সময় তার চিৎকারে বাড়ির পাশ দিয়ে হেটে যাওয়ার সময় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। পরে তাকে ঢাকা মেডিক্যালের ওয়ান স্টফ ক্রাইসিস সেন্টারে ভর্তি করে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়। এসময় পরীক্ষার পরে ওই তরুণীর ধর্ষণের আলামত পায়। পরে ধর্ষণের বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে ধর্ষণকারী আদম ব্যবসায়ী সরুজ গাজীর পক্ষ নিয়ে ওই এলাকার চিহিৃত সন্ত্রাসী সফি মাদবর ও সিদ্দিক মোল্ল্যা অর্থের বিনিময়ে নিয়ে ধর্ষণের বিষয়টি ধামা চাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন। পরে এলাকাবাসীর সহায়তায় ধর্ষিতার পরিবার গতকাল রাতে ধর্ষণ কারীর বিরুদ্ধে সাভার মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পরে পুলিশ ঘটনা স্থল পরিদর্শন করলেও ধর্ষণ কারীকে আটক করতে পারেনি। আরো অভিযোগ উঠেছে, মামলা দায়েরের পরে ওই প্রতিবন্ধি তরুণীর পরিবারের সদস্যদেরকে প্রকাশ্যে হত্যা করে লাশ তুরাগ নদীতে ফেলে দেয়ার হুমকি দিচ্ছেন গ্রাম্য মাদবর ও সন্ত্রাসী সফি মাদবর ও তার লোকজন। এঘটনায় ওই এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।
এলাকাবাসী আরো অভিযোগ করে বলেন ওই আদম ব্যবসায়ী বিদেশে নারীদের পাঠানোর নাম করে আরো অনেক নারীকে নিজ বাড়িতে ধর্ষণ করেছেন। ধর্ষণের কথা কাউকে বললে তাদেরকে হত্যার হুমকি দিনেন ওই আদম ব্যবসায়ী।
এবিষয়ে সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম কামরুজ্জামান বলেন বাক প্রতিবন্ধি তরুণীকে ধর্ষণের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনা স্থল পরিদর্শন করেছে। ধর্ষণ কারী আদম ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হবে বলেও জানান তিন।
