ডেস্ক রিপোর্ট: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, অভ্যন্তরীণ সম্পদ আহরণে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে যুগোপযোগী করার যাবতীয় উদ্যোগ আমরা গ্রহণ করেছি। আমি বিশ্বাস করি, পর্যাপ্ত রাজস্ব আহরণের মাধ্যমে জাতির পিতার ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত ও সুখী-সমৃদ্ধ ‘সোনার বাংলা’ বিনির্মাণের স্বপ্ন আমরা বাস্তবায়ন করতে পারবো।
তিনি বলেন, আয়কর মেলার মাধ্যমে দেশের রাজস্ব আহরণ ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী আয়কর মেলা উপলক্ষে প্রদত্ত এক বাণীতে সোমবার এ কথা বলেন।
শেখ হাসিনা বলেন ,জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের উদ্যোগে ১ নভেম্বর থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত সপ্তাহব্যাপী সারাদেশে আয়কর মেলা অনুষ্ঠিত হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত।
এ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী দেশের সম্মানিত করদাতা, কর প্রশাসন, কর বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং এ মেলা আয়োজনের সাথে সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান।
তিনি বলেন, যে সকল করদাতা এবছর দীর্ঘমেয়াদি ও সর্বোচ্চ করদাতা হিসেবে পুরস্কার পাচ্ছেন তাদের প্রতি ‘আমার উষ্ণ অভিনন্দন রইল’।
শেখ হাসিনা বলেন, আয়করকে জনগণের কাছে সহজবোধ্য করতে এবং কর সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ দেশ গঠনের মহতী উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে আওয়ামী লীগ সরকার ২০১০ সালে আয়কর মেলা প্রবর্তন করে।
তিনি বলেন, ‘আমাদের সরকারের প্রবর্তিত আয়কর মেলার সুফল করদাতাগণ পাচ্ছেন এবং এর মাধ্যমে দেশের রাজস্ব আহরণও বৃদ্ধি পাচ্ছে।’
আওয়ামী লীগ সরকার উন্নয়ন ও জনকল্যাণে বিশ্বাসী উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, উন্নয়নের অক্সিজেন হচ্ছে রাজস্ব। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এই মূলমন্ত্রে উজ্জীবিত হয়ে কাজ করে। তিনি বলেন, ‘আমরা ২০২১ সালের মধ্যে একটি মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশ উপহার দেয়ার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি।’
শেখ হাসিনা বলেন, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড গঠন করেন।
সম্মানিত করদাতাগণের সার্বিক অংশগ্রহণের মাধ্যমে আয়কর মেলার সফল বাস্তবায়ন সামগ্রিকভাবে দেশের উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করবে এই প্রত্যাশা ব্যক্ত করে শেখ হাসিনা ‘আয়কর মেলা-২০১৬’র সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।
মিতু/বিবি নিউজ/১৪১
