স্টাফ রিপোর্টার,১৬অক্টোবর ২০২৪(বিবিনিউজ): সাভারে দাফনের প্রায় তিন বছর এক মাস ১২ দিন পর কবর থেকে লাশ উত্তোলন করা হয়েছে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সচিব হারীছ চৌধুরীর । দুপুরে উপজেলার বিরুলিয়া ইউনিয়নের শ্যামপুর এলাকার জামিয়া খাতামুন্নাবিয়্যীন মাদ্রাসা থেকে তার লাশ উত্তোলন করা হয়। সাভার উপজেলা সহকারী কশিমনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট এস এম রাসেল ইসলাম নুরের নেতৃত্বে তার লাশ কবর থেকে উত্তোলন করা হয়। এসময় সেখানে ঢাকা জেলা পুলিশ,পুলিশের ক্রাইম সীন ইউনিট সিআইডি ও ফরেনসিক বিভাগের কর্মকর্তা ও হারীছ চৌধুরীর পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। বিরুলিয়া ইউনিয়নের শ্যামপুর এলাকার জামিয়া খাতামুন্নাবিয়্যীন মাদ্রাসার পিন্সিপাল মাওলানা আশিকুর রহমান কাশিমী বলেন,২০২১ সালের ৩ সেপ্টেম্বরতাকে তার এক পরিচিত লোক ইকবাল মাসুম ফোন করে বলেন মাহমুদুর রহমান নামের এক ব্যক্তি ঢাকার এভার কেয়ার হাসপাতালে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। তারা সেখানে মাদ্রাসায় দাফন করতে চান। পরে সেদিন আছরের নামাজের পরে দুটি গাড়ি যোগে তার লাশ মাদ্রাসায় নিয়ে আসেন তারা। এসময় পরিবারের পাঁচ থেকে ছয়জন সদস্য ছিলেন। পরে মাদ্রাসায় জানাযা শেষে তাকে দাফন করা হয়। এসময় তাদের পরিবারের পক্ষ থেকে পাঁচ লক্ষ টাকাও দেওয়া হয় মাদ্রাসায়। পরে বছর দুইয়েক আগে দেশের একটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় রিপোর্ট প্রকাশিত হয় মাহমুদুর রহমান নাম পরিচয় গোপন করে সেখানে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সচিব হারীছ চৌধুরীর লাশ দাফন করা হয়েছে। এনিয়ে তখন দেশে আলোড়ন সৃষ্টি হয় এক ধরণের। পরে সম্প্রতি হারিছ চৌধুরীর পরিবারের সদস্যরা ডিএনএ পরীক্ষার জন্য তার লাশ উত্তোলন করার জন্য আদালতে আবেদন করলে আদালত সম্প্রতি ঢাকা জেলা প্রশাসনকে তার লাশ উত্তোলন করার নির্দেশ দেন। পরে আজ তার লাশ উত্তোলন করা হয়। এসময় তার লাশ সুরতাল করে ডিএনএ পরীক্ষার জন্য লাশ ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। হারীছ চৌধুরীর মেয়ে লন্ডন প্রবাসী ব্যারিস্টার সামিরা তানজিন চৌধুরী বলেন,ডিএনএ পরীক্ষার জন্য তার লাশ উত্তোলন করা হয়েছে। ফরেনসিক বিভাগের রিপোর্টের পরে তার লাশ কোথায় দাফন করা হবে তা বলতে পারেনি তিনি।
উল্লেখ্য ২১ আগষ্ট গ্রেনেড হামলাসহ বিভিন্ন মামলার পলাতক আসামী ছিলেন হারীছ চৌধুরী। হারীছ চৌধুরীর বাড়ি ছিলো সিলেটের কানাইঘাটের দর্পন এলাকায়।
