ডেস্ক রিপোর্ট: দেশের প্রথম বেসরকারি মোবাইল ফোন অপারেটর সিটিসেল বন্ধের সরকারি সিদ্ধান্ত বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ। একইসঙ্গে আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে আগামী ৩১ অক্টোবর শুনানির দিনও ধার্য করেছেন আদালত।
মঙ্গলবার তরঙ্গ বরাদ্দ খুলে দেওয়ার বিষয়ে সিটিসেলের এক আবেদনের প্রেক্ষিতে আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী এ আদেশ দেন। আদালতে সিটিসেল এর পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ ও এ এম আমিন উদ্দিন। সঙ্গে ছিলেন ব্যারিস্টার মাহবুব শফিক। পাওনা টাকা না দেওয়ায় ২০ অক্টোবর সিটিসেল এর তরঙ্গ কার্যক্রম বন্ধ করে দেয় বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (বিটিআরসি)। এ বিষয়ে ব্যারিস্টার মাহবুব শফিক বলেন, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনামতে বিটিআরসি ও এনবিআরের ১৪৪ কোটি টাকা শোধ করা হয়েছে। এরপর সিটিসেলের তরঙ্গ কার্যক্রম বন্ধ করা হয়েছে। এখন এ তরঙ্গ কার্যক্রম বন্ধের ওপর স্থগিতাদেশ চেয়ে আবেদন করা হয়েছে। মঙ্গলবার চেম্বার বিচারপতির আদালতে এ বিষয়ে শুনানি হবে।
গত ১৭ আগস্ট এক মাসের শোকজ দিয়ে সিটিসেলকে চিঠি দেয় বিটিআরসি। পৌনে ৫ শ কোটি টাকা রাজস্ব বকেয়া থাকা সিটিসেল গ্রাহকদের প্রথমে ১৬ আগস্ট ও পরবর্তীতে ২৩ আগস্ট পর্যন্ত বিকল্পসেবা গ্রহণের পরামর্শ দেওয়া হয়। ২৩ আগস্ট সিটিসেলের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত অর্থাৎ, অপারেশনাল কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়ার কথা ছিল। এর মধ্যে সিটিসেলের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২২ আগস্ট বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের হাইকোর্টের একক বেঞ্চ বিটিআরসির পক্ষ থেকে সিটিসেলকে দেওয়া শোকজ নোটিশের সময় পর্যন্ত কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন। এর বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।
২৯ আগস্ট আপিল বিভাগ বিটিআরসির পাওনা পরিশোধে সিটিসেলকে দুই মাস সময় দেন। এর মধ্যে প্রথম মাসে তিন ভাগের দুই ভাগ ও দ্বিতীয় মাসে বাকি টাকা দেওয়ার আদেশ দেন।
মিতু/বিবি নিউজ/৫৮
