সাভারের বিরুলিয়ায় ব্যাস্ত সময় পার করছে ফুল চাষিরা

স্টাফ রিপোর্টার,১১ ফেব্রুয়ারি,২০২৩(বিবিনিউজ): আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা,পহেলা ফাল্গুন আর ভালোবাসা দিবস দোড়গোড়ায়। দিবস গুলো সামনে রেখে ফুলের চাহিদা পূরণে কাজ করছে ঢাকার সাভারের গোলাপগ্রাম খ্যাত বিরুলিয়ার ফুল চাষিরা। সেখানে গোলাপের পাশাপাশি চাষ হচ্ছে জারবেরা ও গ্লাডিওলাস ফুলেরও।

দিগন্ত জোড়া মাঠে গোলাপের লাল ফুলে কৃষকের স্বপ্ন রঙিন হয়ে উঠেছে। চারিদিকে গোলাপের আধিপত্য যেন প্রকৃতির সৌন্দর্য্য বাড়িয়েছে দ্বিগুণ। এবছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ফুলের উৎপাদন হয়েছে গত বছরের তুলনায় বেশ ভালো। প্রতিদিনই বিরুলিয়ার মৈস্তাপাড়া ও শ্যামপুরে জমে ওঠে গোলাপের বেচাকেনার হাট। প্রতিটি ফুল পাইকারি দরে বিক্রি হচ্ছে ৮-১০ টাকা করে। তাইতো কৃষকের মুখে এখন গোলাপের হাসি। সাভারের কৃষি অফিস সূত্র বলছে বিরুলিয়া ইউনিয়নের গ্রাম গুলোতে কমপক্ষে ৩০০ হেক্টর জমিতে সারা বছর বাণিজ্যিক ভাবে গোলাপের চাষ হয়। গোলাপ গ্রাম নামেই তাই খ্যাত বিরুলিয়া। এখানকার ফুল দিয়ে সিংহভাগ চাহিদা পূরণ হয় রাজধানী ঢাকাসহ আশপাশের জেলার বিয়ে,পূজা ঈদ-পার্বণ কিংবা শোক ও সুখসহ বিভিন্ন আয়োজনের। দোড়গোড়ায় পহেলা ফাল্গুন, বিশ্ব ভালবাসা দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। এ দিবসগুলোকে ঘিরে ফুলের চাহিদার সাথে দামও বেড়েছে যায় কয়েক গুণ। তাই গত দু বছরের করোনার ক্ষতি পোষিয়ে উঠার স্বপ্ন দেখছেন ফুল চাষিরা।

তারা বলছেন গোলাপ গ্রাম এলাকার জমি উর্বর হওয়ায় প্রতি বছরই গোলাপের বাম্পার ফলন হয় এলাকাটিতে ।

গোলাপের পাশাপাশি এই গ্রামে বাণিজ্যিক ভাবে চাষ হচ্ছে লাল, হলুদ, গোলাপিসহ বিদেশি জাতের জারবেরা এবং গ্লাডিওলাস ফুলের।

এদিকে ফুল উৎপাদন বৃদ্ধিতে সব সময় খোঁজ খবর নেওয়াসহ প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে বলে জানালেন সাভার উপজেলার এই কৃষি কর্মকর্তা।

বাজারে দেশীয় ফুলের চাহিদাকে আরও বাড়াতে বিদেশী কৃত্রিম ফুলের আমদানি কমানোর আহ্বান জানিয়েছেন কৃষকরা। এবছর আড়াই কোটি টাকারও বেশি ফুল বিক্রির লক্ষ্য মাত্রার পাশাপাশি ভালো মুনাফার আশা সাভারের ফুল চাষিদের ।

Related posts

Leave a Comment