স্
টাফ রিপোর্টার, ১৬ এপ্রিল : ঢাকার সাভারের বনপুকুর এলাকার একটি স্কুলে প্রিন্সিপ্যালের অশালীন আচরণ সইতে না পেরে এক ছাত্রী গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সরেজমিনে গিয়ে জানাগেছে, তারা বানু কষ্ট করে তাঁর মেয়ে স্বর্ণালী ওরফে সোনিয়াকে লেখাপড়া করিয়ে আসছিলেন। বনপুকুর এলাকার চাইল্ড হেভেন স্কুলে নবম শ্রেণী থেকে সোনিয়া দশম শ্রেণীতে উত্তীর্ণ হয়। কিন্তু টিউশন ফি ও মাসিক বেতন না দেয়ার কারনে সোনিয়া এ পর্যন্ত ক্লাসে যেতে পারেনি। আজ ( শনিবার ) প্রথম সাময়িক পরীক্ষা দিতে এক হাজার টাকার পরিবর্তে পাঁচশ টাকা নিয়ে মা তারা বানু ও সোনিয়া স্কুলে যায়। এ সময় টাকা দিতে না পারার অভিযোগে চরম অপমান করেন চাইল্ড হেভেন স্কুলের প্রিন্সিপ্যাল কাবুল মিয়া। এ অপমান সইতে না পেরে মা ও মেয়ে কাঁদতে কাঁদতে ভাটপাড়ার বাসায় চলে আসে। বিকেলের দিকে লোক চক্ষুর আড়ালে ঘরের ফ্যানের সাথে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে সোনিয়া।
নিহত সোনিয়ার মা স্বামী পরিক্ত্যক্তা তারা বানু অভিযোগ করেন, আজ সকালে পাঁচশ টাকা নিয়ে মেয়ের পরীক্ষা দিতে স্কুলে যাই। এ সময় প্রিন্সিপ্যাল কাবুল মিয়া বলেন “ আমি কি ফকির, আমাকে ভিক্ষে দিতে এসেছ।” এছারাও মেয়ের চরিত্র নিয়ে তিনি আজে-বাজে কথা বলেন। মা ও মেয়ে কাঁদতে কাঁদতে বাসায় চলে আসি। বাসায় আসার পরও আমার মেয়ে কাঁদতে থাকে। এরপর আমার মা সোনিয়া চলে গেল।
সোনিয়ার খালা রেহেনা জানান, প্রিন্সিপ্যালকে অনেক অনুরোধ করার পরও পরীক্ষা দিতে দেয়নি। স্কুল থেকে বের করে দিয়েছে।
উল্লেখ, তারা বানুর স্বামীর নাম গণি মিয়া। তাঁর নয় বছরের ছেলে সজিব রিক্সা চালিয়ে সংসার চালিয়ে আসছিল।
এ ব্যাপারে কথা বলতে গেলে বনপুকুরের চাইল্ড হেভেন স্কুল তালাবদ্ধ পাওয়া যায়। বাসায় গিয়েও প্রিন্সিপ্যাল কাবুল মিয়াকে পাওয়া যায়নি।
পুলিশ সোনিয়ার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে নিয়ে গেছে।
বিস্তারিত আসছে……….
দিয়া ইসলাম / সিএনআই নিউজ / ২১২৫
