অধিনায়ক হিসেবে মিসবাহর সেরা জয় লর্ডস টেস্ট

misbahবিবিনিউজ ,  ( ১৮ জুলাই ) : ইংল্যান্ডের বিপে লর্ডসে অনুষ্ঠিত প্রথম টেস্টে সফরকারী পাকিস্তান ৭৫ রানের দূর্দান্ত এক জয় তুলে নিয়েছে। আর অধিনায়ক হিসেবে ক্যারিয়ারে এটাকেই সেরা জয় হিসেবে মানছেন মিসবাহ-উল-হক। ২৮৩ রানের জয়ের ল্েয খেলতে নেমে দ্বিতীয় ইনিংসে চতুর্থ দিনে ইংলিশদের ইনিংস ২০৭ রানে গুটিয়ে যায়। এর ফলে ২০ বছরে লর্ডসে প্রথম জয় তুলে নিলে পাকিস্তান। ২০১০ সালে এই ভেন্যুতেই স্পট ফিক্সিংয়ের লজ্জাজনক অধ্যায়ের জন্ম দিয়েছিল পাকিস্তান।
গতকাল ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে মিসবাহ বলেছেন, ‘২০১০ সালের ঘটনার পরে এই জয় পাকিস্তানের কাছে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। পুরো দলই দারুনভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ছিল, খেলোয়াড়রা গত ছয় বছর ধরে নিজেদের সাথে অনেক লড়াই করেছে এবং কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে বেশ কয়েকটি দারুন জয় তুলে নিয়েছে। মাঠ এবং মাঠের বাইরে তারা বেশ শৃঙ্খলাবদ্ধ ছিল। ইংল্যান্ডের মাটিতে তাদেরকে হারানো সত্যিই বিশেষ কিছু। এই জয়ে পুরো দলের অবদান রয়েছে।’
এই জয়ে মিসবাহ দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। প্রথম দিনে ৭৭ রানে ৩ উইকেট পতনের পরে মিসবাহ দলের হাল ধরেন। প্রথম ইনিংসে পাকিস্তানের করা ৩৩৯ রানের মধ্যে মিসবাহ একাই করেছেন ১১৪ রান। এর ফলে পাকিস্তান প্রথম ইনিংসে ৬৭ রানের গুরুত্বপূর্ণ লিড নেয়। ইংল্যান্ডের ব্যাটসম্যানদের রুখে দেয়ার জন্য ৪২ বছর বয়সী এই অধিনায়ককেই কৃতিত্ব দেয়া হয়েছে। তিনি যেভাবে বোলারদের যথাযথ ভাবে ব্যবহার করেছেন তা সত্যিই প্রশংসনীয়। মিসবাহ আরো বলেছেন, এটা একজন অধিনায়ক হিসেবে ও একইসাথে পাকিস্তান দলের জন্য অনেক বড় একটি জয়। প্রত্যেকেই নিজ নিজ জায়গা থেকে লড়াই করেছে যার ফলশ্রুতিতে এই জয় সম্ভব হয়েছে। আমি সত্যিই গর্বিত। বিশেষ করে আজ মানসিক ভাবে সবাই শক্ত ছিল। প্রথম ইনিংসে ইয়াসির শাহ ও দ্বিতীয় ইনিংনে পেসাররা ভাল করেছে। সব মিলিয়ে এটা আমাদের জন্য দারুন একটি জয়।
লেগ স্পিনার ইয়াসির শাহ ক্যারিয়ার সেরা বোলিংয়ের মাধ্যমে ১৪১ রানে নিয়েছেন ১০ উইকেট। মিসবাহ জানিয়েছেন মূল একাদশে ইয়াসিরের উপস্থিতি তাকে আলাদা আত্মবিশ্বাস যুগিয়েছে। তার মতে, আমাদের সবসময়ই বিশ্বাস ছিল ৩০০ রানের বেশী করতে পারলে পাকিস্তানের জয়ের সুযোগ রয়েছে। বিশেষ করে প্রথম ইনিংসেই আমরা ৩০০ বা তার বেশী রান করতে চেয়েছিলাম।
স্পট ফিক্সিংয়ের জন্য শাস্তি ভোগ করা বাঁহাতি পেসার মোহাম্মদ আমিরের ওপর পুরো টেস্টের দৃষ্টি ছিল। তিন উইকেট নিয়ে আমির নিজের উপস্থিতি জানান দিয়েছেন। মিসবাহ আশা করেন পিছনের সব দু:সহ স্মৃতি ভুলে আমির আবারো নতুন করে সবকিছু শুরু করতে পারবেন। এই জয়ে তার অবদানকেও স্মরণ করেছেন মিসবাহ।
দারুন এই জয়কে অভিনব এক কায়দায় উদযাপন করেছেন পাকিস্তানী খেলোয়াড়রা। ম্যাচের পরে পুরো দল দাঁড়িয়ে লর্ডসের ঐতিহাসিক বারান্দার দিকে তাকিয়ে স্যালুট দিয়েছে ও বেশ কয়েকটি পুশ-আপ দিয়ে আনন্দ ভাগাভাগি করেছে। ইংল্যান্ডে আসার আগে পাকিস্তানের বুট ক্যাম্পে সেনা বাহিনীর সদস্যরা মিসবাহ বাহিনীকে প্রস্তুতি নিতে দারুন সহযোগিতা করেছে। তাদের উদ্দেশ্যেই এই স্যালুট বলে জানিয়েছেন মিসবাহ।

অধিনায়ক হিসেবে মিসবাহর সেরা জয় লর্ডস টেস্ট ইংল্যান্ডের বিপে লর্ডসে অনুষ্ঠিত প্রথম টেস্টে সফরকারী পাকিস্তান ৭৫ রানের দূর্দান্ত এক জয় তুলে নিয়েছে। আর অধিনায়ক হিসেবে ক্যারিয়ারে এটাকেই সেরা জয় হিসেবে মানছেন মিসবাহ-উল-হক। ২৮৩ রানের জয়ের ল্েয খেলতে নেমে দ্বিতীয় ইনিংসে চতুর্থ দিনে ইংলিশদের ইনিংস ২, ০৭ রানে গুটিয়ে যায়। এর ফলে ২০ বছরে লর্ডসে প্রথম জয় তুলে নিলে পাকিস্তান। ২০১০ সালে এই ভেন্যুতেই স্পট ফিক্সিংয়ের লজ্জাজনক অধ্যায়ের জন্ম দিয়েছিল পাকিস্তান।
গতকাল ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে মিসবাহ বলেছেন, ‘২০১০ সালের ঘটনার পরে এই জয় পাকিস্তানের কাছে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। পুরো দলই দারুনভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ছিল, খেলোয়াড়রা গত ছয় বছর ধরে নিজেদের সাথে অনেক লড়াই করেছে এবং কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে বেশ কয়েকটি দারুন জয় তুলে নিয়েছে। মাঠ এবং মাঠের বাইরে তারা বেশ শৃঙ্খলাবদ্ধ ছিল। ইংল্যান্ডের মাটিতে তাদেরকে হারানো সত্যিই বিশেষ কিছু। এই জয়ে পুরো দলের অবদান রয়েছে।’
এই জয়ে মিসবাহ দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। প্রথম দিনে ৭৭ রানে ৩ উইকেট পতনের পরে মিসবাহ দলের হাল ধরেন। প্রথম ইনিংসে পাকিস্তানের করা ৩৩৯ রানের মধ্যে মিসবাহ একাই করেছেন ১১৪ রান। এর ফলে পাকিস্তান প্রথম ইনিংসে ৬৭ রানের গুরুত্বপূর্ণ লিড নেয়। ইংল্যান্ডের ব্যাটসম্যানদের রুখে দেয়ার জন্য ৪২ বছর বয়সী এই অধিনায়ককেই কৃতিত্ব দেয়া হয়েছে। তিনি যেভাবে বোলারদের যথাযথ ভাবে ব্যবহার করেছেন তা সত্যিই প্রশংসনীয়। মিসবাহ আরো বলেছেন, এটা একজন অধিনায়ক হিসেবে ও একইসাথে পাকিস্তান দলের জন্য অনেক বড় একটি জয়। প্রত্যেকেই নিজ নিজ জায়গা থেকে লড়াই করেছে যার ফলশ্রুতিতে এই জয় সম্ভব হয়েছে। আমি সত্যিই গর্বিত। বিশেষ করে আজ মানসিক ভাবে সবাই শক্ত ছিল। প্রথম ইনিংসে ইয়াসির শাহ ও দ্বিতীয় ইনিংনে পেসাররা ভাল করেছে। সব মিলিয়ে এটা আমাদের জন্য দারুন একটি জয়।
লেগ স্পিনার ইয়াসির শাহ ক্যারিয়ার সেরা বোলিংয়ের মাধ্যমে ১৪১ রানে নিয়েছেন ১০ উইকেট। মিসবাহ জানিয়েছেন মূল একাদশে ইয়াসিরের উপস্থিতি তাকে আলাদা আত্মবিশ্বাস যুগিয়েছে। তার মতে, আমাদের সবসময়ই বিশ্বাস ছিল ৩০০ রানের বেশী করতে পারলে পাকিস্তানের জয়ের সুযোগ রয়েছে। বিশেষ করে প্রথম ইনিংসেই আমরা ৩০০ বা তার বেশী রান করতে চেয়েছিলাম।
স্পট ফিক্সিংয়ের জন্য শাস্তি ভোগ করা বাঁহাতি পেসার মোহাম্মদ আমিরের ওপর পুরো টেস্টের দৃষ্টি ছিল। তিন উইকেট নিয়ে আমির নিজের উপস্থিতি জানান দিয়েছেন। মিসবাহ আশা করেন পিছনের সব দু:সহ স্মৃতি ভুলে আমির আবারো নতুন করে সবকিছু শুরু করতে পারবেন। এই জয়ে তার অবদানকেও স্মরণ করেছেন মিসবাহ।
দারুন এই জয়কে অভিনব এক কায়দায় উদযাপন করেছেন পাকিস্তানী খেলোয়াড়রা। ম্যাচের পরে পুরো দল দাঁড়িয়ে লর্ডসের ঐতিহাসিক বারান্দার দিকে তাকিয়ে স্যালুট দিয়েছে ও বেশ কয়েকটি পুশ-আপ দিয়ে আনন্দ ভাগাভাগি করেছে। ইংল্যান্ডে আসার আগে পাকিস্তানের বুট ক্যাম্পে সেনা বাহিনীর সদস্যরা মিসবাহ বাহিনীকে প্রস্তুতি নিতে দারুন সহযোগিতা করেছে। তাদের উদ্দেশ্যেই এই স্যালুট বলে জানিয়েছেন মিসবাহ।

 

শেখ সালমা / বিবিনিউজ / ০১

Related posts

Leave a Comment